তিন ফিফটির দৃঢ়তায় প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় ব্যবধান ঘুচিয়েছে নিউজিল্যান্ড ‘এ’। তবে দিনের একমাত্র স্বস্তির মুহূর্তটি এনে দেন পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ। লাঞ্চের পরপরই টানা দুই বলে উইকেট নিয়ে কিছুটা উত্তেজনা ফেরান তিনি। তবে এরপর নিক কেলি ও ম্যাথু বয়েলের শতরানের জুটিতে ফের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় সফরকারীরা।
চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় চার দিনের ম্যাচের তৃতীয় দিন শেষে ৪ উইকেটে ২৭৭ রানে নিউজিল্যান্ড ‘এ’। কেলি ৮৩ ও বয়েল ৪৪ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন। এর আগে ১ উইকেটে ১০৪ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল তারা।
বাংলাদেশের পক্ষে সাইফ হাসান ফিরিয়ে দেন ১০৪ রানের জুটি গড়া জো কার্টারকে, যিনি করেছিলেন ৬২ রান। কার্টারের বিদায়ের পর হিফিও পান ফিফটি, তবে থামেন ৭১ রানে। এরপর ডেল ফিলিপস গোল্ডেন ডাক মেরে সাজঘরে ফেরেন।
প্রথম ইনিংসে ৩৫৭ রান করেছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দ্বিতীয় দিনে ব্যাট হাতে আলাদা করে বলার মতো কিছু না থাকলেও, তৃতীয় দিনে বল হাতে নজর কাড়েন খালেদ আহমেদ। হ্যামিল্টনের সুরে সুর মেলালেও খালেদের স্পেল তৈরি করে এক ভিন্ন সুরের ছন্দ।
দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে সেই খালেদ জানালেন, সীমিত ওভারের ক্রিকেটেও আবার জায়গা করে নিতে চান। জাতীয় দলের নিয়মিত এই টেস্ট পেসার বলেন, ‘সুযোগ আসবে, এমনটা তোয়েই যে আসবে না। আমি কিন্তু এখানে ওয়ানডেও খেলেছি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে (২০২৩ সালে)। আমি সুযোগের অপেক্ষায় আছি। সৃষ্টিকর্তার যদি ইচ্ছা হয় এবং সিলেক্টরদের পছন্দ হয়, তাহলে উনারা দেখবে।’
সাদা বলের জন্য নির্বাচকদের পক্ষ থেকে কোনো বার্তা পেয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে খালেদ জানান, ‘সেটা তো আমি জানি না। আমি যে সুযোগ পাচ্ছি, ‘এ’ দলে, ডিপিএলে খেলেছি, বিপিএলে খেলেছি; আমার কাছে ফিল হয় (সাদা বলেও) আমি পারব। তো বাকিটা উনাদের ইচ্ছা।’
নিজের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে খালেদ আরও বলেন, ‘আমি এটা বিশ্বাস করি, যখন আমার কপালে থাকবে আমি এমনি সুযোগ পাব। আমার কাজ হচ্ছে খেলা, ভালো জায়গায় বোলিং করছি, করতে থাকব। আর নিজেকে আনলাকি কখনও মনে হয় না, আনলাকি মনে করলে তো আর এতদিন ধরে খেলতাম না।’
খালেদের এই দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাসই হয়তো নতুন করে তাকে জাতীয় দলের সাদা বলের দলেও জায়গা করে দেবে, সময়ই দেবে সে উত্তর। তবে এখন তার নজর চার দিনের এই ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের জন্য আরও সাফল্য বয়ে আনার দিকে।