সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন ‘বৈষম্য থেকে মুক্তি চাই, চাকুরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর চাই’ দাবীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে সংহতি জানিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকারি কলেজের বেসরকারী ভাবে কর্মরতরা শ্রমিক নাকি কর্মচারী। নাগরিক হিসেবে সরকারি প্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু তাদের নির্দিষ্ট কোনো বেতন কাঠামো নেই। তাদের চাকুরি বিধি নেই, নেই কোনো কর্মঘণ্টা, কোনো সুযোগ সুবিধাহীন ভাবে দিনের পর দিন তাদেরকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে যদি কর্মচারীদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত না হয় তাহলে দেশে কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে। বেসরকারি কর্মচারীদের দাবী আদায়ের জন্য সংগঠন করার অধিকার দিতে হবে। সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে শ্রম আইনুযায়ী সকল সুযোগ প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। নারীদের মাতৃত্বকালীন ছুটি, উৎসব ভাতা, সুনির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নিশ্চিত করতে হবে। চাকুরির নিশ্চিতয়তা প্রদানের জন্য নিয়োগ পত্র দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি এইসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ হয় তাহলে যারা বেসরকারিভাবে কর্মরত আছেন তাদের বয়স শিথিল করে নিয়োগে অগ্রাধীকার দিতে হবে।’
জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার মানুষের দাবী পূরণের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। শিক্ষা উপদেষ্টা দ্রুত তাদের দাবী পূরণে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’
সমাবেশে শেষে শিক্ষা উপদেষ্ঠার সাথে দেখা করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়নের আহ্বায়ক এহসানুল কবীর, সদস্য সচিব রুহুল আমীন হাওলাদার।