সাতক্ষীরায় দ্রুতগামী বাসের চাপায় শিশু নিহত, আহত ৬

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর মোড়ে দ্রুতগামী বাসের চাপায় দেড়বছরের এক ছোট্ট শিশু নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরো ৬ জন।

রবিবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়কে দ্রুতগামী বাস একটি বিদ্যুৎচালিত থ্রি-হুইলার ইজিবাইককে চাপাদিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ- ওসি শামিনুল ইসলাম জানান, ঘটনা জানার সাথে হতাহতদের উদ্ধারে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে দেড়বছরের শিশু ও আটজনের বেশী। ঘাতক বাসটিকে জব্দ করে সাতক্ষীরায় নিয়ে আসা হয়েছে। বাসচালক ও তার সহযোগীরা পালিয়ে গিয়েছেন। 

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. রাশেদ খান জানান, রামচন্দ্রপুরে দুর্ঘটনায় হতাহতরা হাসপাতালে পৌঁছালে প্রথমে কথা বলতে পারছিলেন না। তাদের অবস্থা ছিল গুরুতর। ১ বছরের একটু বেশী বয়সী শিশু মোস্তাকিমকে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। সে শাপলা খাতুনের সন্তান। 

গুরুতর আহত অবস্থায় থাকা মোস্তাকিমের মা শাপলা খাতুন (২৫), ও শাপলার মা নাজমা খাতুনের অবস্থাও আশংকাজনক। তাদের বাড়ি খুলনা জেলা পাইকগাছা উপজেলার শ্রীকন্ঠপুর গ্রামে। এছাড়াও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আব্দুর রহিম সরদারের ছেলে রাশেদ আলী (৪০), আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুরের রজবআলী সরদারের ছেলে মোজাম্মেল সরদার (৩২), খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে ফাতেমা খাতুন, লাউড়ী গ্রামের ইব্রাহিম গাজীর ছেলে হযরত আলী (৪৫) তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।

ডা. রাশেদ জানান, আহতদের মধ্যে এই ৬ জনের অবস্থা আশংকা জনক। 

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত আলমসাধু চালক মুজাম্মেল হোসেন জানান, আশাশুনির দিক থেকে আসা সাতক্ষীরাগামী বাস ও ইজিবাইক, আলম সাধু ও একটি মটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে পিষ্ট করে চলে যায়। দুর্ঘটনাটি অল্প সময়ের মধ্যে ঘটে যায়। মটরসাইকেল চালককে কে বা কারা নিয়ে চলে যায়। তার অবস্থা জানা যায় নি। পথচারী নাজমুলকে আহত অবস্থায় স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করে। আর বাসের চালক ও তার সহযোগীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে সেখানে পুলিশ আসে।