সাবেক হুইপ স্বপনের ব্যাংকে লেনদেন ৬৫০ কোটি

সাবেক হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের ব্যাংক হিসাবে ৬৫৩ কোটি ১৬ লাখ টাকার বেশি সন্দেহভাজন লেনদেন এবং ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ছাড়া প্রায় সোয়া ২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে হুইপ স্বপনের স্ত্রী মেহবুবা আলমের নামে একটি মামলা করা হয়। গতকাল রবিবার মামলা দুটি করা হয়েছে বলে জানান দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম।

মামলার এজাহারে বলা হয়, জয়পুরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ১ কোটি ২৬ লাখ ৫৮ হাজার ৮৫০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করে নিজ ভোগদখলে রাখা এবং তার ২৮টি ব্যাংক হিসাবে ৬৫৩ কোটি ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৯৭০ টাকা সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে একটি মামলা করা হয়। অন্য মামলার এজাহারে বলা হয়, দুদকের অনুসন্ধানকালে সাবেক হুইপ স্বপনের স্ত্রী মেহবুবা আলম স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে ২ কোটি ২২ লাখ ৩৬ হাজার ৮২৮ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা করা হয়। স্ত্রীকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তা করায় এ মামলায় আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনকে আসামি করা হয়।

দুদকের সাবেক তিন চেয়ারম্যানের  বিরুদ্ধে মামলা : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক তিন চেয়ারম্যান এবং এক সচিবের বিরুদ্ধে করা মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল রবিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান এক আদেশে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

গত ১৮ মে হারুন অর রশিদ নামে এক ব্যক্তি এ মামলাটি করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশের জন্য গতকাল রবিবার দিন ধার্য করে। এ মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা হলেন দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান মশহুদ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান ও আবুল হাসান মনজুর এবং সাবেক সচিব মোখলেছ উর রহমানসহ এ মামলায় বিচার কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না, তা আদালতের এখতিয়ারাধীন বিষয় বলে তার অভিযোগে উল্লেখ করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, দুদকের এ চেয়ারম্যানরা পরস্পর যোগসাজশে পরিকল্পনাসহ ষড়যন্ত্র মিটিং করে, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে দুদক।