ফিরেই লাল কার্ড দেখলেন নেইমার, সান্তোসের হার

দীর্ঘ এক মাসের চোট শেষে সান্তোসের শুরুর একাদশে ফিরেছিলেন নেইমার জুনিয়র। প্রত্যাবর্তনের দিনে ঘরের মাঠে বোটাফোগোর বিপক্ষে জয় পেতে আশায় বুক বেঁধেছিল সমর্থকরা। কিন্তু তাদের সেই আশায় জল ঢেলে দিয়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হলো ব্রাজিলিয়ান তারকাকে। হতাশার এক রাতে ১-০ গোলের হারে আরও খানিকটা পিছিয়ে পড়ল সান্তোসের অবনমন এড়ানোর লড়াই।

ব্রাজিলিয়ান সিরি ‘আ’ লিগে বর্তমানে পয়েন্ট তালিকার ১৭তম স্থানে অবস্থান করছে সান্তোস। অবনমন অঞ্চল থেকে বেরিয়ে আসার মরিয়া চেষ্টায় ছিল দলটি। তাই দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নেইমারকে মাঠে পেয়ে আশার আলো দেখেছিলেন কোচ ও সমর্থকরা। তবে ম্যাচের ৭৬তম মিনিটেই সেই আশার প্রদীপ নিভে যায়।

প্রথমার্ধেই একটি হলুদ কার্ড দেখে ফেলেছিলেন নেইমার। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে ইচ্ছাকৃত হ্যান্ডবলের অভিযোগে দ্বিতীয়বার বুকিংয়ের মুখে পড়েন এই তারকা। সেই সঙ্গে বাতিল হয় তার করা গোল। দুই হলুদে লাল দেখে মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডকে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দশ জনের দলে পরিণত হয় সান্তোস।

সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগাতে দেরি করেনি বোটাফোগো। নেইমারের বিদায়ের কয়েক মিনিট পরই আর্থুরের গোলে এগিয়ে যায় তারা। জাইরের পাস থেকে পাওয়া সেই একমাত্র গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। সান্তোসের হারের ফলে অবনমন অঞ্চলের শঙ্কা আরও ঘনীভূত হলো।

এটি নেইমারের পেশাদার ক্যারিয়ারের ১৫তম লাল কার্ড। সান্তোসের হয়ে এটি তাঁর ষষ্ঠবার লাল কার্ড দেখা। ২০২১ সালে পিএসজির হয়ে লিলের বিপক্ষে তিয়াগো দিয়ালোকে ধাক্কা দিয়ে লাল কার্ড দেখার পর এটিই তার প্রথম ম্যাচ বহিষ্কার।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ব্রাজিলিয়ান লিগে অন্তত এক ম্যাচের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে সান্তোসের ১০ নম্বর জার্সিধারীকে। ফলে সরাসরি অবনমন প্রতিদ্বন্দ্বী ফর্টালেজার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অনুপস্থিত থাকবেন তিনি। এমনিতেই কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া সান্তোসের জন্য এটি আরও বড় ধাক্কা।

এখন দলকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে দ্রুতই ছন্দে ফিরতে হবে। কারণ সামনের পথটা সহজ নয়—এবং নেইমার ছাড়া সেই পথটা হবে আরও দুর্গম।