‘শহীদ জিয়ার প্রথম চট্টগ্রাম শেষ চট্টগ্রাম’ শীর্ষক আলোচনা

চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার উদ্যোগে ৩২ তোপখানা রোডস্থ চট্টগ্রাম সমিতি ভবনের নিজস্ব মিলনায়তনে ‘শহীদ জিয়ার প্রথম চট্টগ্রাম, শেষ চট্টগ্রাম’ শীর্ষক ২ দিনব্যাপী দোয়া, খতমে কোরআন, দুস্থদের মাঝে খিচুড়ি বিতরণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচির প্রথম দিন ১ জুন দোয়া, খতমে কোরআন, দুস্থদের মাঝে খিচুড়ি বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় দিন ২ জুন সকাল ১০টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকার আজীবন সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা মীর দোস্ত মোহাম্মদ খানের সভাপতিত্বে, চট্টগ্রাম সমিতির আহ্বায়ক সাবেক ছাত্রনেতা এম এ হাশেম রাজু ও যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন মিজানের পরিচালনায় ‘শহীদ জিয়ার প্রথম চট্টগ্রাম, শেষ চট্টগ্রাম’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা চট্টগ্রাম সমিতির আজীবন সদস্য আসলাম চৌধুরী।

আলোচনা সভায় আসলাম চৌধুরী বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে ইসলামী মূল্যবোধ, জাতীয়তাবাদী চেতনার ক্ষণজন্মা পুরুষ গুটিকয়েক জনের মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম অন্যতম। শহীদ জিয়ার জন্ম না হলে বাংলাদেশের মাটি মানুষ মানচিত্র ভারতীয় আধিপত্যবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদ থেকে রেহাই পেত না। শহীদ জিয়া মুসলিম বিশ্বের দরবারে যেখানে সংঘাত-সংঘর্ষ হয়েছে সেখানেই শান্তির বার্তা নিয়ে ছুটে গেছেন। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ইরাক-ইরানের ৮ বছরব্যাপী যুদ্ধ শেষ হয়েছিল। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে তিনি সার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করতে তৎকালীন সময়ে ওআইসিকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রেখেছিলেন।

প্রধান বক্তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের অ্যাম্বাসেডর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আজও আমাদের স্মৃতিতে অম্লান। বিজ্ঞপ্তি