সম্পর্কের ইতি টানার কয়েকমাস পরই সাবেক প্রেমিকা ভালেন্তিনার কাছে ফিরে গেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। প্রেমিকা ভালেন্তিনাও তাকে ভালোভাবে গ্রহণ করেছেন। বান্ধবী এবং দুই সন্তান নিয়ে এনজো এখন বেশ সুখেই আছেন। সম্প্রতি এক টিভি শোতে ভালেন্তিনা জানিয়েছেন, তাদের বিচ্ছেদ এবং সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার কাহিনী।
গত বছরের অক্টোবরের হঠাৎ করেই ছোটবেলার প্রেমিকা ভালেন্তিনার সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছিলেন এনজো। ভালেন্তিনা তখন দুই সন্তান নিয়ে ইংল্যান্ড থেকে আর্জেন্টিনায় ফিরে গিয়েছিলেন। হুট করে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। কিন্তু মন মানছিল না কারোরই। তাই গত জানুয়ারি থেকেই দুজনের সম্পর্ক আবারও জোড়া লাগতে শুরু করে। এখন তাদের একসাথে দেখা যায়, ঠিক আগের মতো।
‘ডোন্ট থিঙ্ক সো মাচ’ নামে এক টিভি শোতে আর্জেন্টাইন মডেল ও ইনফ্লুয়েন্সার ভালেন্তিনাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি এনজোকে কেন আবার ফিরিয়ে নিলেন? জবাবে ভালেন্তিনা বলেন, ‘মানুষ হিসেবে আমাদের সবারই দ্বিতীয় সুযোগটা প্রাপ্য। মানুষ তো ভুল করতেই পারে। তবে তৃতীয় বা চতুর্থ সুযোগ দেব না, আর নয়। আমরা এখন অনেক ভালো আছি। তবে ফিরে আসার সিদ্ধান্তটা কঠিন ছিল।’
ভালেন্তিনার শেষ কথাটার পেছনেও কারণ আছে। ওই সময় এনজোর নতুন প্রেম নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রচুর গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। আর্জেন্টাইন র্যাপার নিকি নিকোল, এমনকি জনপ্রিয় মডেল পাম্পিতার সঙ্গেও তার নাম জড়ায়। তবে নিকি নিজেই সেসব গুঞ্জন উড়িয়ে দেন। আর পাম্পিতা তো সরাসরি ভালেন্তিনাকে ফোন করে এসব গুঞ্জন মিথ্যা বলে নিশ্চিত করেন। তাই হয়তো এনজোকে আরেকটি সুযোগ দিতে রাজি হন ভালেন্তিনা।
দুজনে এখন আর ঝগড়াঝাঁটি করেন না। কেউ কারও ওপর চাপ সৃষ্টি করেন না। সুখের জীবন কাটছে তাদের। ভালেন্তিনা বলেন, ‘আগে সে যদি আমাকে নিয়ে কোথাও যেতে চাইত, আমি বলতাম, বাচ্চাদের রেখে যাব না। এখন কিন্তু আমি রাজি হই। তবে তিন দিনের বেশি নয়। বাচ্চাদের খুব মিস করি। আমি এখন এনজোকে বদলাতে চাই না। ও যেমন, আমি তেমন করেই মেনে নিয়েছি। আমরা একে অপরকে খুব ভালোভাবে চিনেছি।’