বিশ্বকাপজয়ী মেসির সামনে নতুন লক্ষ্য ক্লাব বিশ্বকাপ

আগেও তিনবার ক্লাব বিশ্বকাপের ট্রফি জিতেছেন লিওনেল মেসি। ২০০৯, ২০১১ ও ২০১৫ সালে বার্সেলোনার হয়ে। কিন্তু সেসব টুর্নামেন্টের সঙ্গে এবারের প্রতিযোগিতার মৌলিক পার্থক্য আছে। এবারের ক্লাব বিশ্বকাপকে ঢেলে সাজানো হয়েছে নতুনভাবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রতিযোগিতাও আর আগের মতো থাকবে না। তবে চ্যালেঞ্জ যত বড়ই হোক, মেসি চান এই টুর্নামেন্টও নিজের করে নিতে।

বাংলাদেশ সময় কাল সকালে মিশরের ক্লাব আল আহলির বিপক্ষে কঠিন ম্যাচ দিয়ে নিজেদের যাত্রা শুরু করবে মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি। তার আগেই ফিফার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তী বলেছেন, "এটি একটি অসাধারণ টুর্নামেন্ট। এখানে খেলতে পারার সুযোগ পেয়ে আমি রোমাঞ্চিত। আমার আগের দলগুলোর হয়ে খেলার সময়ের চেয়ে এবারের প্রত্যাশা ভিন্ন, কিন্তু আমি বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মুখিয়ে আছি এবং ভালো কিছু করার চেষ্টা করব।" তার কথায় স্পষ্ট, দলের প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও জেতার খিদে এবং লড়াইয়ের মানসিকতা আগের মতোই আছে।

এই নতুন ফরম্যাটের টুর্নামেন্টকে একটি বিশাল সুযোগ হিসেবে দেখছেন মেসি। যোগ করেন, "সারা বিশ্ব থেকে বড় বড় দলগুলো এখানে আসছে, সঙ্গে প্রচুর সমর্থক আসছেন এবং এমন সব গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা থাকছেন যাদের খেলা দেখতে সবাই ভালোবাসে। এটি একটি নতুন, ভিন্ন ধরনের টুর্নামেন্ট এবং আমেরিকার মাটিতে বিশ্বের সেরা দলগুলোকে দেখার একটি দারুণ সুযোগ। এটা উপভোগ করার জন্য অসাধারণ।"

মেসি মনে করেন, এই টুর্নামেন্ট লাতিন আমেরিকার দলগুলোর জন্য ইউরোপীয় পাওয়ারহাউসগুলোর বিপক্ষে নিজেদের পরীক্ষা করার একটি দারুণ মঞ্চ।

তিনি বলেন, "বিভিন্ন দেশের দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলোর জন্য ইউরোপের বড় দলগুলোর বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার এটি একটি দুর্দান্ত সুযোগ। যারা বিশ্ব ফুটবলের মানদণ্ড এবং যাদের কাছে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়রা রয়েছে, তাদের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা অসাধারণ। যে খেলোয়াড় মাঠে নামবে এবং যে সমর্থক মাঠে বসে খেলা দেখবে, উভয়ের জন্যই এটি এক চমৎকার অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।"

বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়নস লিগ, ঘরোয়া লিগসহ সব মিলিয়ে মেসির ট্রফির সংখ্যা ৪৬। ইতিহাসে আর কারও এত বেশি ট্রফি জয়ের রেকর্ড নেই।