ময়মনসিংহের ছাত্রনেতা মাসুদের বহিষ্কারে নিন্দার ঝড়

ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেনিন্দা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এ ঘটনা ময়মনসিংহের ছাত্র রাজনীতিতে নতুন করে বিভেদ ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

গত ১০ জুন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মাসুদুর রহমান মাসুদকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে মাসুদুর রহমান মাসুদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে- সম্প্রতি ঘোষিত ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে অসন্তোষ এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গারসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তিনি জড়িত ছিলেন।

মাসুদুর রহমান মাসুদের বহিষ্কারাদেশকে স্থানীয় ছাত্রদলের একটি অংশ অন্যায় ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, মাসুদুর একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত ছাত্রনেতা। দলের দুর্দিনে তিনি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাকে এভাবে বহিষ্কার করা দলের জন্য ক্ষতিকর এবং এটি অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত। অনেক নেতাকর্মী মনে করছেন, কমিটির ভেতরের কোন্দল এবং নেতৃত্বের রেষারেষির বলি হয়েছেন মাসুদ। এই বহিষ্কারাদেশ তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র। একজন জনপ্রিয় ছাত্রনেতার বহিষ্কার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে দিতে পারে এবং তাদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করতে পারে।

ছাত্রনেতা মাসুদুর রহমান মাসুদের বহিষ্কারাদেশ কেবল একটি সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি ময়মনসিংহের ছাত্র রাজনীতিতে একটি বড় ঝাঁকুনি। এই সিদ্ধান্ত একদিকে যেমন নিন্দার জন্ম দিয়েছে, তেমনি এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব স্থানীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দলের উচিত দ্রুত এই অসন্তোষ নিরসন করে সবাইকে নিয়ে কাজ করার একটি পথ খুঁজে বের করা।