যুবদল ও ছাত্রদলের জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা

সিলেটের জাফলংসহ কোনো পাথর কোয়ারি আর ইজারা দেওয়া হবে না এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের গাড়ি আটকে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া যুবদল ও ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে যুবদলের এক নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদেরও চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে পুলিশ জানায়, দুই উপদেষ্টার গাড়িবহর আটকে বিক্ষোভ ও মানহানিকর স্লোগান যারা দিয়েছে তাদের ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, উপদেষ্টাদের গাড়ি আটকে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদ খানকে গত শনিবার রাতেই বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জাহিদ খানকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়েছে। সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি মুমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, উপদেষ্টাদের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করায় জাহিদ খানকে বহিষ্কার করা হয়েছে। 

জাহিদ খানকে বহিষ্কার করে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকা-ে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে জাহিদের প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিলসহ তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত জাহিদের কোনো অপকর্মের দায়ভার সংগঠন নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় কয়েকজন নেতা বিক্ষোভে জড়িত ছিলেন। বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটিকে জানানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুতই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।