শরীরে পানির ঘাটতি

হলে চুল পড়ে

গরমের দিনে চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যায়। চিকিৎসকরা বলেন, ডিহাইড্রেশন থেকেও চুল পড়তে পারে। খুব বেশি রোদে ঘুরলে, পানি কম খেলে এই সমস্যা বাড়ে। ‘আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব ডার্মাটোলজি অ্যাসোসিয়েশন’-এর মতে, শরীরে পানির ঘাটতি বেশি হলে চুল পড়ার সমস্যা বহুগুণে বেড়ে যেতে পারে। পাশাপাশি চুল রুক্ষ ও জেল্লাহীনও হয়ে পড়বে।

চুল পড়া কমাতে

দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করতেই হবে। সারা দিনে আড়াই থেকে তিন লিটার পানি খেতেই হবে। কফি বা চা পানের পরিমাণ কমাতে হবে। পানির মাত্রা বেশি এমন ফল, সবজি বেশি করে খেতে হবে। প্রতিদিনকার খাবারে পটল, ঝিঙের মতো সবজি। শসা, তরমুজ, লেবু জাতীয় ফলও খেতে হবে। পেট ঠা-া রাখতে ডিটক্স পানীয় পান করা যেতে পারে। রোজ সকালে মৌরি-মেথি ভেজানো পানি বা জিরা ভেজানো পানি খেলে শরীর ঠা-া থাকবে।

চুল পড়া কমাতে মেথির ব্যবহার নতুন নয়। নারিকেল তেলে মেথিদানা ফুটিয়ে মাথায় মালিশ করলে মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল বাড়ে। এ ছাড়া প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিডে ভরপুর মেথি। এসব উপাদান চুল পড়া রোধ এবং নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

চুল শুষ্ক থাকলেও চুল পড়ে। শুষ্ক চুলে আর্দ্রতা ফেরাতে ও চুলের জেল্লা ফেরাতে এই মিশ্রণটির জুড়ি মেলা ভার। এক চামচ মধু, দুই চামচ নারিকেল তেল ও দুই চামচ অ্যালোভেরা নিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। গোসলের আধা ঘণ্টা আগে এই মিশ্রণ চুলে লাগিয়ে নিন। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন চুল।

সকালে ঘুম থেকে উঠে তিসি ভেজানো পানি খান। তিসি বীজে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। চুলের ঘনত্ব বাড়িয়ে তুলতে এবং স্বাভাবিক জেল্লা ধরে রাখতে সাহায্য করে এই উপাদানটি। কোলাজেন উৎপাদনে উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে এই বীজটি। যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েলেও তিসি একসঙ্গে ফুটিয়ে মাথার স্ক্যাল্পে মাখলেও চুল পড়া কমবে।