বায়ুদূষণ রোধে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যানবাহন, ইটভাটা, অনিয়ন্ত্রিত অবকাঠামো নির্মাণ ও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর পরিবহন এবং উন্মুক্তভাবে বর্জ্য পোড়ানোর কারণে বায়ুদূষণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই দূষণ রোধে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, সংস্থা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ জনগণের প্রতি একাধিক নির্দেশনা প্রদান করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
নির্দেশনায় বলা হয়, রাস্তায় বিভিন্ন সেবাভিত্তিক কার্যক্রম যেমন পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ইত্যাদি স্থাপন বা মেরামতের পর ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাস্তা কার্পেটিং করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সড়কে মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন দ্রুত মেরামত করে সচল করতে হবে।
এছাড়া রাস্তা, সড়ক, মহাসড়ক বা উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেলে রাখা এবং উন্মুক্তভাবে পোড়ানো সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এই বিজ্ঞপ্তিতে। বায়ুদূষণকারী শিল্পকারখানা যেমন ইটভাটা, সিমেন্ট, স্টিল, রি-রোলিং ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানকে যথাযথ আইন ও বিধিমালার আওতায় নিয়ম মেনে পরিচালনা করতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয় এই নির্দেশনায়।
পাশাপাশি বাজার,শপিংমল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়ি থেকে সৃষ্ট ময়লা-আবর্জনা ও ধুলাবালি রাস্তায় ফেলা বা পোড়ানো যাবে না। নালা, নর্দমা বা ড্রেন পরিষ্কারের পর সে বর্জ্য রাস্তার পাশে স্তূপ করে রাখা নিষিদ্ধ। ঢাকা শহরের নির্মাণসামগ্রী পরিবহনকারী ট্রাক, ভ্যান ও লরিগুলোকে অবশ্যই সম্পূর্ণভাবে ঢেকে পরিবহন করতে হবে। অবৈধ ব্যাটারি রিসাইক্লিং এবং টায়ার পোড়ানো কারখানাগুলো অবিলম্বে বন্ধ রাখার নির্দেশনাও দেয়া হয় এই গণ বিজ্ঞপ্তিতে।