আড়াইহাজারে শিল্প কারখানায় তীব্র গ্যাস সংকট

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে তীব্র গ্যাস সংকটে পড়েছেন দেড় শতাধিক শিল্প কারখানার মালিক। এতে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও। গত তিন বছর ধরে গ্যাস সংকট থাকায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কারখানার মালিকরা। পাশাপাশি কর্মহীন হয়ে পড়ছেন শত শত শ্রমিক। সিএনজি ও ডিজেলচালিত জেনারেটরের খরচ বাড়ার কারণে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় তাই কমছে উৎপাদন সক্ষমতা।

শনিবার ২১ জুন আড়াইহাজারের দুপ্তারা ইউনিয়নের গ্যাস সঙ্কটে থাকা বেশ কিছু কারখানা পরিদর্শন করেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রেজানুর রহমান ও তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহনেওয়াজ পারভেজ। এসময় উপস্থিত গার্মেন্টস মালিকরা জানান, গত বছরের অক্টোবরের পর থেকে দিনের বেলা গ্যাসের চাপ থাকে একেবারেই কম। ফলে কারখানা চালু রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই বর্তমানে উৎপাদনের পরিমাণ ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানান তারা। বলেন, “কেবল গ্যাসের অভাবে অনেক বায়ারের অর্ডার নিতে পারছি না। যে কয়টা অর্ডার রয়েছে লোকসান হলেও বায়ারদের সঠিক সময়ে পণ্য সরবরাহের জন্য তিনগুণ বেশি ব্যয় হচ্ছে”।

এসময় পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বলেন, “আমি সরেজমিনে গ্যাস সরবরাহ দেখতে এসে গ্যাস সংকটের সত্যতা পেয়েছি। আমরা এই সংকট নিরসনে জন্য কাজ করছি। আশা করছি কম সময়ের মধ্যেই এ থেকে উত্তরণের ব্যবস্থা হবে”। তিতাসের এমডির কাছে গ্যাসের অস্বাভাবিক উঠানামার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে এ বিষয়টি দ্রুত সমাধানের পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, সারাদেশেই গ্যাসের সরবরাহ কম। অন্যদিকে যেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে, আড়াইহাজার উপজেলা হচ্ছে তার সর্বশেষ প্রান্ত। ফলে অন্য মিল কারখানাগুলো গ্যাস টানার পরে আড়াইহাজার এলাকায় এসে গ্যাসের চাপ তেমন থাকে না। সরকার এ সমস্যার উত্তরণে কাজ করছে বলে উল্লেক করেন তিনি।