বিলুপ্তপ্রায় মাছ শনাক্ত করে সংরক্ষণ করতে হবে

মাছের সংকট মোকাবিলায় আইইউসিএনের শ্রেণিকরণ অনুযায়ী বিলুপ্তপ্রায় ও বিপন্ন মাছ শনাক্ত করে সংরক্ষণের লক্ষ্যে বিএফআরআই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। মাছ বাঙালির সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই সম্পদ রক্ষায় গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি সহজবোধ্য ও মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণযোগ্য হওয়া দরকার। বাংলাদেশের প্রাণিজ আমিষের প্রধান উৎস মাছ এবং এই খাতে নিরাপদ ও টেকসই উৎপাদনের জন্য গবেষণার গুরুত্ব অপরিসীম। বিএফআরআই, মৎস্য অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)-এই তিন প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

গতকাল শনিবার ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি (২০২৪-২৫) পর্যালোচনা ও গবেষণা পরিকল্পনা (২০২৫-২৬) প্রণয়ন’ শীর্ষক আঞ্চলিক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এ কথা বলেন।

নিরাপদ মাছ উৎপাদনে ফিডের নিরাপত্তা ও হাওর অঞ্চলে ব্যবহৃত কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে উপদেষ্টা জানান, কীটনাশক নিয়ন্ত্রণে জাতীয় থেকে স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।