পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আমরা আজকে এসেছিলাম এখানে (শিমুলিয়া ঘাট)। এখানে কিছু জায়গা রয়েছে, এখানে-সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। যেন সেগুলো বেদখলে না চলে যায়। সেই জায়গা গুলোর সৌন্দর্য কীভাবে আরও বাড়ানো যায়-সেটাই ভাবছি। যাতে মানুষকে পদ্মার কাছে নিয়ে আসা যায়। বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ এসে পদ্মা দেখবে।
রবিবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়ায় ড্রেজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে শিমুলিয়াঘাট পুনরুজ্জীব ও ভবিষ্যত ব্যবস্থা নিয়ে যৌথ ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত অন্য উপদেষ্টারা হলেন- স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন ও নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আপনি যখন নিজ চোখে দেখবেন, তখন পদ্মার প্রতি আপনার এক ধরনের মায়া জন্মাবে। সেই অভিজ্ঞতা যেন মানুষের হয়-এমন সুযোগ আছে কি না, সেটা বুঝতেই আমরা আজ এখানে এসেছি।
উপদেষ্টাদের যৌথ ওই ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে, জেলার লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ’র মালিকানাধীন ২৯ দশমিক ৩১ একর জমিতে ৭৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ইকো কনটেইনার পোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নৌ-বাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার প্রমুখ।