টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কলম্বো টেস্ট শেষে নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণায় তিনি কোনো ব্যক্তিগত দুঃখ-ক্ষোভ থাকার কথা অস্বীকার করেন। তবে হুট করে তাকে ওয়ানডের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ধারাবাহিকতায় যে এই সিদ্ধান্ত এসেছে- তা বলাই বাহুল্য। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমূল আবেদীন ফাহিম।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আজ বৃহস্পতিবার ফাহিম বলেন, ‘ওর নেতৃত্বগুণ আমি কাছ থেকেও দেখেছি। উইকেটে খুব ভালো ক্যাপ্টেন্সি করেছে এবং হিজ এ গুড লিডার। এটা যদি না হতো খুব ভালো হতো। বাট হি হ্যাজ ডিসাইডেড ওইটাই-- এটাই সিদ্ধান্ত। আই রেস্পেক্ট দ্যাট এবং আশা করব যে ও ক্রিকেটার হিসেবে, ব্যাটার হিসেবে ভালো খেলতে থাকবে এবং ক্যাপ্টেন না থাকলেও ওর যে লিডারশিপ কোয়ালিটি আছে সেইটা-- সেটা-- সেটা-- সেই অবদানটা ও দলের জন্য রাখবে। সো আই উইশ হিম ওয়েল। আমি আশা করব যে ও দলের আস্থা হবে।’
শান্তকে ওয়ানডে থেকে সরানো কিংবা তার টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার দায় ক্রিকেট অপারেশন্সের প্রধান হিসেবে ফাহিমের ওপরেই বর্তায়। শান্তকে যেভাবে হুট করে ওয়ানডে থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল- সেটা কোনো সঠিক প্রক্রিয়া নয়। তবে ফাহিমের দাবি, শান্তর সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত হয়েছে, ‘বোর্ড যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তখন শান্তর সঙ্গে আলোচনা করেই নিয়েছে। তবে আমার ধারণা ছিল, এই সিদ্ধান্ত আরও পরে হবে। আজই হবে, সেটা আশা করিনি।’
আগামী পাঁচ মাস বাংলাদেশের কোনো টেস্ট ম্যাচ নেই। তাই এই ফরম্যাটের নেতৃত্ব নিয়ে জরুরিভাবে কিছু ভাবতে হচ্ছে না। ভবিষ্যতে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে সদ্য নিযুক্ত মেহেদী হাসান মিরাজকেই ভাবছেন ফাহিম, ‘দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে যাকে বলা হয়েছে, সে মেহেদী হাসান মিরাজ। ওয়ানডে দলের দায়িত্ব এখন তার কাঁধে। তবে আমি ধরেই নিয়েছিলাম শান্তই নিয়মিতভাবে নেতৃত্ব দেবে। এখন আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। এই মুহূর্তে সে ভাবনা শুরু হয়নি। তবে শান্তর সিদ্ধান্তকে আমি সম্মান করি। ওর অধিনায়কত্বের গুণ দলকে ভালো কিছু দিয়েছে।’