পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সোহেল ফকির নামের এক আ. লীগ কর্মীর হাতে শহিদুল ফকির (৪০) নামের এক মৎস্যজীবী দল নেতার মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্যাডে কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে শহিদুল মাঝিকে হত্যাকারী দুষ্কৃতিকারিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শান্তির আহ্বান জানানো হয়।
নিহত শহিদুল ফকির উপজেলার লতাচাপলি ইউনিয়নের খাজুরা গ্রামের আলী ফকিরের ছেলে। তিনি ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার মৎস্যজীবী দলের সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। পেশাগত ভাবে তিনি জেলে। একটি মাছ ধরার ট্রলারে মাঝির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এ বিষয়ে লতাচাপলী ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো. সোনা গাজী বলেন, নিহত শহিদুল ফকির ১ নম্বর ওয়ার্ড মৎস্যজীবী দলের সহ-সভাপতি। অভিযুক্ত সোহেল ফকির ওরে মেরে ফেলেছে এমনকি আমাকেও কুপিয়েছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত নিহতের পরিবার থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযুক্ত সোহেল ফকিরের নামে একাধিক মামলা রয়েছে, আমরা তাকে গ্রেপ্তারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।