সাভারে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে বন্ধু নিহত

সাভারে রুহুল আমিন (২৬) নামে এক যুবককে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বন্ধুর বিরুদ্ধে।  রবিবার (২৯ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোতাসিম বিল্লাহ।

এর আগে শনিবার (২৮ জুন) রাতে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুহুল আমিন মারা যায়। 

নিহত রুহুল সাভার পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বিনোদবাইদ মহল্লার ডেনমার্কেট এলাকার বাসিন্দা টুকু মিয়ার ছেলে। তিনি রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

অন্যদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত শামীম হোসেন (২৫) একই এলাকার বাসিন্দা এবং রুহুল আমিনের বন্ধু। ঘটনার পর থেকে শামীম পলাতক রয়েছে। 

থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ২৭ জুন দুপুরে জুমার নামাজের পর রুহুল আমিনকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় তার বন্ধু শামীম। পরে স্থানীয় কামাল গার্মেন্টস রোডের কাঠপট্টিতে গেলে রুহুলকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায় শামীম। এসময় স্থানীয়রা রুহুল আমিনকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে ভর্তি করেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাতে মারা যায় রুহুল আমিন। 

নিহতের নিকট আত্মীয় আক্তার হোসেন বলেন, ‘জুম্মার নামাজের পর সাভার বাজার রোডের গলিতে কথাকাটা কাটির এক পর্যায়ে রুহুল আমিনকে সুইস গিয়ার দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে তার বন্ধু শামীম হোসেন। পরে তাকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হলে শনিবার রাত আটটার দিকে হাসপাতালে মারা যায় রুহুল আমিন।’

এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (আইসিইউ) চিকিৎসক ডা. আহম্মেদ আলী বলেন, ‘আঘাত গুরুতর হওয়ায় রুহুল আমিনকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। অস্ত্রোপচার করা হলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাকে বাচাঁনো সম্ভব হয়নি। শনিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।’ 

সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোতাসিম বিল্লাহ্ বলেন, ‘নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। এ  ঘটনায় হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’