টেন্ডার নিয়ে বিরোধে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানকে মারধর

টেন্ডার নিয়ে বিরোধের জেরে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুলকে (৬৮) বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মুকুলকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যায়িত করে তার জামা-কাপড় ছিঁড়ে বিবস্ত্র করা হয়। গতকাল রবিবার দুপুর পৌনে ১টায় বন্দরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হরিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে বন্দর থানা পুলিশের চারজন সদস্য উপস্থিত থাকলেও তাদের সামনেই তাকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে সোনারগাঁ বিএনপির সহসভাপতি বজলুর রহমান ওরফে ডন বজলুর দিকে।

মুকুল অভিযোগ করে বলেন, বন্দরের হরিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের শ্রমিক সরবরাহের একটি টেন্ডার আমরা পেয়েছি। আজকে (গতকাল) এ কাজের ওয়ার্ক অর্ডার সিগনেচার করার শেষদিন ছিল। এখানে ঝামেলা হতে পারে এই চিন্তা করে আগেই থানায় জিডি করে রাখি ও সঙ্গে চারজন পুলিশ নিয়ে হরিপুর আসি। গাড়ি থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গেই সোনারগাঁয়ের বিএনপি নেতা বজলু ও তার ৪০-৫০ জন লোক আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা মারধর করে আমার জামা-কাপড় ছিঁড়ে ফেলে। সেখানে থাকা দুই পুলিশ সদস্যকেও তারা মারধর করে। অভিযোগের বিষয়ে সোনারগাঁ থানা বিএনপির সহসভাপতি বজলুর রহমান বলেন, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের দোসর আলাউদ্দিন একটি ঠিকাদারি নিয়েছে। তার পক্ষ নিয়ে মুকুল আসছেন কাজ করতে। এতে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে হেনস্তা করেছে। আমার এ বিষয়ে কিছু জানা নেই।