টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় মাঝপথেই চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। একের পর এক ভেঙে যেতে থাকে জুটি। তবে ঠিক তখনই উইকেটে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলি। দুজনের ব্যাটে যেন ফিরে এসেছিল স্বস্তির নিঃশ্বাস। কিন্তু সেই আশার প্রদীপ নিভে যায় ৩৯তম ওভারে জাকেরের বিদায়ে।
৩৫তম ওভারে যখন দলের সংগ্রহ ছিল ১৮৪/৫, তখন থেকেই হৃদয়–জাকের জুটি এগোচ্ছিল হিসেব করেই। দুই তরুণ মিলে গড়ে তোলেন ৬১ বলে ৪৫ রানের জুটি। সতর্ক শুরু, ধীরে ধীরে রানের গতি বাড়ানো—সব মিলিয়ে জুটি জমে উঠছিল। তবে ফার্নান্দোর এক নিখুঁত ইয়র্কারে শেষ জাকেরের ইনিংস। ৪০ বলে ২৪ রান করে এলবিডব্লু হন তিনি।
আজকের ম্যাচ শুরুর আগে ওয়ানডেতে হৃদয়ের নামের পাশে ছিল ৯৮৫ রান। সেই রানে মাত্র ১৫ যোগ করেই পৌঁছে যান চার অঙ্কে। মাত্র ৩৩ ইনিংসে এক হাজার রান করে হয়ে যান বাংলাদেশের ইতিহাসে তৃতীয় দ্রুততম—শুধু শাহরিয়ার নাফিস ও এনামুল হকের পরে। চাপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আজও খেলছেন দায়িত্বশীল এক ইনিংস।
৩৭তম ওভারে চামিরার বলে বিপদের মুখে পড়েছিলেন হৃদয়। জাকেরের সোজা ব্যাটে বল লেগে ফিরে আসে চামিরার হাতে, সেখান থেকে গিয়ে আঘাত হানে স্টাম্পে। উইকেট ছেড়ে অনেকটাই বেরিয়ে গিয়েছিলেন হৃদয়। তবে ততক্ষণে পেছন থেকে ব্যাট টেনে এনে পৌঁছে যান ক্রিজে। সামান্য ফারাকেই ফিরতে হতো তাঁকে।
২৮তম ওভারে কামিন্দু মেন্ডিসের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে এক দুর্দান্ত স্কয়ার কাটে চার হাঁকান শামীম হোসেন। সাধারণত বাংলাদেশের ব্যাটারদের এমন শটে দেখা যায় না। হৃদয়ের সঙ্গে তাঁর ৩৩ রানের জুটি কিছুটা আশাব্যঞ্জক ছিল। তবে সেটিও বেশিদূর টেকেনি। ২৩ বলে ২২ রান করে ফিরেছেন শামীম।
২৪ ওভারে যখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৩৪/৪, তখন কিছুটা ছন্দে ফিরছিল ইনিংস। পারভেজ হোসেনের ব্যাটে নিয়মিত বাউন্ডারি আসছিল। কিন্তু তাঁর বিদায়ে আরেক দফা চাপ নামে। এরপর মিরাজ বাউন্ডারি এনে দিলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।