মিটফোর্ডে ব্যবসায়ীকে হত্যার প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ 

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে রাজধানীর মিটফোর্ডে ব্যবসায়ীকে পাথর মেরে নৃশংস হত্যা এবং দেশব্যাপী বিএনপির চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল পাড়া থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে ভিসি চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভ পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, মিটফোর্ড চাঁদার জন্য ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর মেরে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে যুবদল নেতাকর্মীরা। হত্যার পর তার লাশের ওপর বর্বর নৃত্য করেছে। এটা আইয়্যামে জাহেলিয়াতের চিত্র। বাংলাদেশের জনগণ ও ছাত্রসমাজ এই খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।

ঢাবি শিক্ষার্থী এবি জুবায়ের বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে আমরা দেশকে গোছানোর চেষ্টা করেছি। এই পথে একমাত্র বাঁধা হয়েছে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো। সোহাগকে হত্যা গত পরশুদিন করা হয়েছে অথচ আজ ভিডিও সামনে এসেছে। ‘জাতীয়তাবাদী চাঁদাবাজদলকে’ একজন ব্যবসায়ী চাঁদা দেয়নি বলে পাথর মেরে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। আমরা কী নতুন করে আবার আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগে ফিরে গেলাম?  

তিনি বলেন, সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, খুন করছে। সারা দিন পরিণত হয়েছে চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে। বিএনপির নেতাকর্মী কতৃক হত্যা হওয়ার পর লন্ডন থেকে ফোন আসে “বোন, আমি তারেক বলছি।”

তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনার দলকে আপনি সামলান। আওয়ামী লীগের পথ অনুসরণ করবেন না৷ যদি করেন তাহলে আওয়ামী লীগের মতো পরিণতি হবে। 

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, বিএনপি নিজেদের দলের নেতাকর্মীদের  নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। বিগত ১৬ বছর তারা মজলুম ছিল। কিন্তু মজলুম যদি জালিম হয় তখন আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠে।

তিনি বলেন, আমরা এই চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের বিচার চাই। এই দশ মাসে বিএনপি একশোর বেশি মানুষকে খুন করেছে। সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। এসময় সংস্কার না করে নির্বাচন হবে না বলেও দাবি জানান বিন ইয়ামিন মোল্লা।