মৌলিক সংস্কারের প্রশ্নে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কোনো ছাড় দেবে না বলে জানিয়েছেন দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তিনি বলেছেন, মৌলিক সংস্কারে মোটা দাগে যেসব বিষয় আছে, সেসব প্রশ্ন উঠলেই বিএনপির তরফ থেকে এবং তাদের সঙ্গে আরো গুটিকয়েক দল, তারা সেখানে বাধা তৈরি করছেন এবং ঐকমত্যের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করছে।
সোমবার (১৫ জুলাই) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার ১৪ তম দিনের আলোচনা শেষে এনসিপির সদস্য সচিব এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, অধিকাংশ দল পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষের আসন বিন্যাসের ব্যাপারে একমত হলেও বিএনপি এবং তার সঙ্গে গুটিকয়েক দল সেটা চায় না। সেই না চাওয়ার জায়গাটিকে সংস্কার কমিশনের আলাপের বাইরে রাখার একটা প্রবণতা খেয়াল করছি।
সংস্কারের আলাপগুলোকে এখন সংখ্যাতাত্ত্বিক জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মৌলিক সংস্কারের বিষয়গুলো যেন ঐক্যমতের আলোচনার মধ্যেই না থাকে, তার তেমন একটা পরিবেশ এখানে তৈরির চেষ্টা করছেন।
এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি থাকলে, যেসব দলের অন্তত এক শতাংশ ভোট রয়েছে, তারাও উচ্চকক্ষে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। সেক্ষেত্রে একটা বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক চর্চার জায়গা আমরা নিশ্চিত করতে পারব।
উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতির মধ্য দিয়ে নির্বাচন হতে হবে। এটাকে অবশ্যই একটি মৌলিক সংস্কারের অংশ বলে মনে করে এনসিপি।
রাষ্ট্র একটা ভাঙা পা নিয়ে চলছে, সেই পায়ে বিএনপি ব্যান্ডেজ করেছে বলে মন্তব্য করেন আখতার। তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) স্যাভলন দিয়েছে, কিন্তু হাড়টাকে জোড়া লাগাতে হবে, সেই জায়গায় এসে দলটি বেঁকে বসেছে। তাদের কথা হলো, ব্যান্ডেজ করেছি; স্যাভলন দিয়েছ; এটাই যথেষ্ট; এটাই মেনে নাও। হাড়টাকে জোড়া লাগানো পর্যন্ত যাওয়ার প্রয়োজন নাই।