এবার আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান মারওয়ান শিপিংকে দুটি টাগবোট রপ্তানি করছে দেশের জাহাজ নির্মাতা ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড। চলতি মাসেই ‘খালিদ’ ও ‘ঘায়া’ নামের বোট দুটি হস্তান্তর করবে ওয়েস্টার্ন মেরিন।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিনের তথ্য মতে, হস্তান্তরের অপেক্ষায় থাকা টাগবোট দুটির মধ্যে খালিদ ৬৪ টন এবং ঘায়া ৮০ টন বোলার্ড পুল (একটি টাগাবোটের অন্য জাহাজকে টানার ক্ষমতা) ক্ষমতাসম্পন্ন।
এ উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রাম বোট ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লে. জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ বলেন, ওয়েস্টর্ন মেরিন গতবছর রায়ান নামের একটি জাহাজ রপ্তানি করেছে। এবার নতুন দুটি টাগবোট রপ্তানি করছে প্রতিষ্ঠানটি। এই দুটি জাহাজ বিশ্বে মেইড ইন বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করবে। বিশ্বে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কেট হলো শিপ বিল্ডিং। এই বাজারে আমাদের যদি ১% জাহাজ পাঠানো যায় তাহলে অন্তত ২০০ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ আয় করতে পাবে।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান জানান, ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে আরও পাঁচটি জাহাজ রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের। এর মধ্যে দুটি অয়েল ট্যাংকার ও তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট। আরব আমিরাতের একই ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের (মারওয়ান শিপিং) কাছ থেকে ক্রয়াদেশ পেয়ে ইতিমধ্যে জাহাজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিএ) কাছে দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি রূপসা’ এবং ‘এমভি সুগন্ধা’ হস্তান্তর করবে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে আরব আমিরাতে ‘রায়ান’ নামের একটি ল্যান্ডিং ক্রাফট জাহাজ রপ্তানি করে ওয়েস্টার্ন মেরিন।