বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, নেতারা সব সময় চাঁদাবাজি নিয়ে পড়ে থাকে, দেশের উন্নয়নে চিন্তা করে না।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইসলামি ছাত্র শিবিরের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের বুড়িগঙ্গা নিয়ে নেতাদের কোন পরিকল্পনা আছে? নেই, সদরঘাটের আশপাশের সব দোকান থেকে কীভাবে চাঁদাবাজি করা যায়, সেটা নিয়ে পড়ে আছে। জবিতে যারা ভর্তি হয় তাদের সবাইকে কিছু সমস্যা পার করে যেতে হয়। জবি শিক্ষার্থীদের পুরান ঢাকার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিসহ একাডেমিক অবস্থাও তেমন সমৃদ্ধ না।
তিনি আরও বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির বই নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি সমৃদ্ধ করা হযেছিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রীর শিক্ষকদের নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়েছিল। এভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেক সমৃদ্ধ ইতিহাস ও অর্জস আছে। এখান থেকে প্রচুর রাজনীতিবিদ ও জ্ঞানী ব্যক্তি বের হয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হলো মানুষ তৈরি করা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেই মানুষ তৈরি করতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ। বুয়েটে আবরার ফাহাদকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল, এটি দেখে যেকোন ব্যক্তি বলতে বাধ্য হবে বুয়েটে পড়েও কিছু পশু তৈরি হয়।
আমরা গালাগালিকে গলাগলিতে রূপান্তর করবো। অনেকে আমাদের সমালোচনা করে, কিন্তু আমরা সেদিকে কর্ণপাত করিনা। আমাদের অনেক কাজ পড়ে আছে।
জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলার ব্যাপারে তিনি বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের ওপর আক্রমণ আসলে শিবির বসে থাকবে না, আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক বিষয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু জুলাই যোদ্ধাদের ওপর কোন ধরণের আক্রমণ ছাত্র শিবির বরদাস্ত করবে না।