আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিমানবাহিনীর নিহত পাইলট তৌকির ইসলামের ফিউনারেল প্যারেড ও জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। উত্তরায় প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় গতকাল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
ফিউনারেল প্যারেড হলো সামরিক বা আনুষ্ঠানিক বিদায় সংবর্ধনা। সাধারণত কোনো সামরিক কর্মকর্তার মৃত্যুর পর এটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) এবং নিহতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা শেষে তিনবাহিনীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। তৌকিরের মরদেহের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন তার সহকর্মী বিমানবাহিনীর সদস্যরা।
এরপর তৌকিরের মরদেহ রাজশাহীতে নেওয়া হবে। সেখানে বিকেলে দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাজশাহী নগরীর সপুরা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার নানা আজিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল দুপুরে বিমানবাহিনীর একটি এফ-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাথমিক শাখার ভবনে বিধ্বস্ত হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তৌকিরকে উদ্ধার করে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আইএসপিআর জানায়, বিমানটি একটি প্রশিক্ষণ মিশনে ছিল, তবে এটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত একটি যুদ্ধবিমান ছিল।
তৌকির ইসলাম সাগরের গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায়। তিনি রাজশাহী ল্যাবরেটরী স্কুল অ্যান্ড কলেজে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। পরে তিনি পাবনা ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হন এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। গত বছর তিনি বিয়ে করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাকে।