এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হলো ঢাকায়। সেই সভার মূল বার্তাটিই ছিল ঐক্যের—ক্রিকেট যেন রাজনীতির বলি না হয়। এসিসির সভাপতি মোহসিন নকভি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, 'রাজনৈতিক ভিন্নমত নয়, আমাদের দরকার একতাবদ্ধ হয়ে এশীয় ক্রিকেটকে এগিয়ে নেওয়া।'
বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এসিসির সভা শুরুর আগে পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও স্পোর্টসের সঙ্গে আলাপকালে নকভি বলেন, 'আমাদের ক্রিকেট পরিবারের সদস্য হিসেবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য যেন ক্রিকেটের উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। একে অপরকে সহযোগিতা করলেই এশিয়ার ক্রিকেট আরও শক্তিশালী হবে।'
নকভি মনে করেন, এশিয়ার ক্রিকেট শক্তিশালী করতে হলে সদস্য দেশগুলোর প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। বলেন, 'দলগুলো যত বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে, ম্যাচগুলো তত আকর্ষণীয় হবে। আর ভালো প্রতিযোগিতা মানেই বড় বাজার। আমাদের এমন পথ খুঁজে বের করতে হবে, যেটা এসিসিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং সহযোগী সদস্যদেরও উন্নয়নে সহায়তা করবে।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'আমাদের প্রচেষ্টা যেন এমন হয়, যাতে সব সদস্য দেশই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দল গড়তে পারে। এতে টুর্নামেন্টের মান যেমন বাড়বে, তেমনি বাণিজ্যিক সম্ভাবনাও উঁচুতে উঠবে।'
ঢাকায় সফলভাবে সভার আয়োজন করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ধন্যবাদ জানান এসিসি সভাপতি। বলেন, 'এই সভা বিসিবির সহায়তা ছাড়া সম্ভব হতো না। সফল আয়োজনের জন্য তাদের অভিনন্দন জানাই এবং সব বোর্ড সদস্যদের ধন্যবাদ জানাই, যারা ঢাকায় এসেছেন অংশ নিতে।'
শেষে আশাবাদী কণ্ঠে তিনি বলেন, 'আশা করি আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য।'