দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বন্ধের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ৭ দফা দাবিতে অযৌক্তিকভাবে কয়লার মূল্য কমিয়ে খনিকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করছে খনির শ্রমিক ও কর্মচারীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকাল ১১টায় খনির আবাসিক গেটের সামনে শ্রমিক কর্মচারীরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে খনি সিবিএ সভাপতি কাশেম আলী সিকদার, আউটসোর্সিং অস্থায়ী কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আশরাফুল আলম বলেন, পিডিবি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির একমাত্র কয়লার গ্রাহক। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শুরু হতে লাভজনক প্রতিষ্ঠান। অতীতে খনির কয়লা বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ স্থানীয় ইট ভাটার জন্য সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনেই ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি যে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির পরিচালনা পষর্দ কয়লার একমাত্র ক্রেতা পিডিবির কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে পিডিবির স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে অযৌক্তিকভাবে প্রতি টন কয়লার মূল্য ১৭৬ ডলার হতে হ্রাস করে করে ১০৪ ডলার নির্ধারণ করা হলে কয়লা খনিটি নিশ্চিতভাবেই লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।
তিনি আরও বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বোর্ড এ বিদ্যুতের লোক দিয়ে চালানো যাবে না। ৭ দফা দাবি মেনে না নিলে আগামীতে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। তাই বড়পুকুরিয়ার কয়লা লোকাল মার্কেটে বিক্রয় করা হোক। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির বোর্ড বিদ্যুতের লোক দিয়ে চালানো যাবে না। খনি আমাদের রুটি-রুজি, তাই কয়লার দাম নির্ধারণে আমাদের ও মতামত নিতে হবে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি আদমজী পাট কলের মতো পরিণত হবে না। এলাকার স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদরাসায় সিএসআর ফান্ড হতে সহযোগিতা বাড়াতে হবে। খনিতে কর্মরত শ্রমিকদের রেশন ও অন্যান্য সুবিধা বাড়াতে হবে। আর এসব দাবি দাওযা না মানা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্বের মতো করে খনিকে ধ্বংসের হাত হতে রক্ষা করা হবে।
এ সময় বক্তব্য রাখেন কয়লা বণিক সমিতির সভাপতি রবিউল ইসলাম, কুলি লোড আনলোড সভাপতি মেহেরুল ইসলাম, ১৩ গ্রামের সভাপতি গোলাম মোস্তফা ও খনি শ্রমিক আসাদুল হক।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, স্থানীয় ও খনি কর্মচারীরা পিডিপিকে কম দামে কয়লা দেওয়ার কারণে তারা আন্দোলন করছে।