মাদক বিক্রিকে কেন্দ্র করে সুমন হত্যা

রাজধানীর রায়েরবাজার এলাকায় মাদক বিক্রিকে কেন্দ্র করে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ফজলে রাব্বি সুমন হত্যার প্রধান আসামি মুন্না ওরফে পিচ্চি মুন্নাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গত বুধবার পুরান ঢাকার ইসলামবাগ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি খালিদুল হক হাওলাদার।

তিনি বলেন, মোহাম্মদপুর পাবনা হাউজ গলিতে নিহত সুমনের সঙ্গে মাদক বিক্রিকে কেন্দ্র করে পিচ্চি মুন্নার বিরোধ ছিল। কিছুদিন আগে সুমন তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেন। জামিনে মুক্ত হয়ে রায়েরবাজার এলাকায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করে গ্রেপ্তার মুন্না। এই ঘটনায় সুমনের বাবা মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় মুন্নাকে প্রধান আসামি করা হয়। এরপর আসাসি মুন্নার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ইসলামবাগ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এটি পূর্বপরিকল্পিত প্রতিশোধমূলক হত্যাকা-। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার মুন্নাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোর্স আল-আমিন হত্যায় গ্রেপ্তার ২ : র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি খালিদুল হক বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করত আল আমিন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের একটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় কিশোর গ্যাং লিডার ও মাদক ব্যবসায়ী মোশারফের ছোটভাই আসামি মান্নানকে পুলিশে ধরিয়ে দিতে সাহায্য করেন। ভাইকে ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবে মোশারফের নেতৃত্বে তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত দুজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-২ ও ৮। তারা হলেন, মোশারফ ও রিপন ওরফে গিট্টু রিপন।

তিনি বলেন, ১৬ জুলাই মোহাম্মদপুরের লাউতলা এলাকায় একটি হত্যাকা- হয়। নিহত আল আমিন একটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। এই শত্রুতার জের ধরে মোশারফ, রিপন ওরফে গিট্টু রিপনসহ কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদস্য তাকে হত্যা করে।

ফ্লাট দেখানোর কথা বলে অপহরণ : রাজধানীর গুলশানে নিজের ফ্লাটে বসবাস করেন মাকছুদা খানম (৬০)। তারই বাসায় দীর্ঘ ১০ বছর ধরে কাজ করছিলেন সোহেল রানা। দীর্ঘ সময় বাসায় কাজ করার সুবাদে মালিক মাকছুদার কাছে বাসার কর্মচারী সোহেল বিশ্বস্ততা হয়ে ওঠে। ওই সুযোগে সোহেল তার কেনা ফ্ল্যাট দেখানোর কথা বলে অপহরণ করে মালিককে। দাবি করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে বলে জানায় র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি খালিদুল হক। তিনি বলেন, ওই ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে ২১ জুলাই ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে র‌্যাব-২। পরে ২৯ জুলাই অপহরণকারী রানাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে সংস্থাটি।