জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪০০ শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখা। বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল ৯টায় রাজধানীর আগারগাঁও জাতীয় গ্রন্থাগার ও আর্কাইভ অডিটোরিয়ামে প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ছাত্রশিবির এ সংবর্ধনার আয়োজন করে। এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখার মিডিয়া বিভাগ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে সংবর্ধনা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

মহানগর সেক্রেটারি মুহিব্বুল্লাহ আল হোসাইনী সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাখা সভাপতি হাফেজ আবু তাহের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ডা. মুজাহিদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, সৎ দক্ষ আদর্শ দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরির জন্য মেধাবীদের মূল্যায়নের বিকল্প নেই। যে জাতি মেধাবীদের মূল্যায়ন করতে পারে না, সে জাতি কখনো সামনে অগ্রসর হতে পারে না। মেধাবীরাই জাতির প্রেরণার উৎস। চীন, মালেশিয়া, সিংগাপুর, হংকন, ভিয়েতনাম, আমাদের দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ছিল বাংলাদেশের চেয়ে। আজ তারা উন্নত হয়েছে মাত্র ১০ থেকে ২০ বছরের ব্যবধানে।

তিনি আরও বলেন, আর আমরা এখনো অনুন্নত রয়ে গেলাম আমাদের বি-রাজনীতি, অপরাজনীতি ও নিজেদের মধ্যে মারামারি ঝগড়া করেই। আমাদের দেশের ৬০ শতাংশ মেধাবি শিক্ষার্থী পাড়ি জমায় বিদেশ। আমাদের দেশে ইউরোনিয়াম আছে, আছে তেল, গ্যাস, কয়লা, সমুদ্র, করিডোর আর অনেক প্রাকৃতিক রিসোর্স। বর্তমানে দেশের ৯ শতাংশ লোক বৃদ্ধ বাকি ৯১ শতাংশ জনসংখ্যা কর্মক্ষম মানুষ। এই রিসোর্স ও মানুষকে কাজে লাগানোর জন্য মেধাবীদেরই এগিয়ে আসতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে হাফেজ আবু তাহের বলেন, মেধাবীদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি নিজেদের দায়বদ্ধতা থেকেই ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখা অদম্য মেধাবীদের সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। মেধাবীদের ভালো রেজাল্ট করার পেছনে তাদের অভিভাবক ও শিক্ষকরা বিশেষ অবদান রেখেছেন। অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজকে শুধু ভালো রেজাল্ট নয়, ছাত্রদের নৈতিক দিক থেকেও গড়ে তুলতে হবে।