বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পরছে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপালী ইলিশ। দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ মাছের মোকাম কুয়াকাটা-আলীপুর-মহিপুর ইলিশে সয়লাব হয়ে গেছে। এতে হাসি ফুটেছে ট্রলার মালিক, আড়ৎদার ব্যবসায়ী ও জেলেদের মুখে। কর্মচাঞ্চল্য ফিরছে উপকূলের মৎস্য বন্দরগুলোতে। জেলে পরিবারের দীর্ঘদিনের হতাশা কেটে গেছে। উপকূলের জেলে পাড়ায় বিরাজ করছে উৎসব মুখর পরিবেশ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দেশের বৃহৎ মাছের মোকাম কুয়াকাটা-আলীপুর -মহিপুর মৎস্য পল্লীতে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ উঠেছে। সাগর থেকে ইলিশভর্তি সারি সারি ট্রলার ঘাটে ভিড়ছে।
কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলতেই এক জেলের জালে ধরা পড়ে ৬০ মণ ইলিশ। দীর্ঘদিন পরে এমন মাছ পেয়ে উচ্ছ্বসিত জেলেরা। আলীপুর মনি মৎস্য আড়তে এসব মাছ সাড়ে ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।
চার দিন আগে এফবি জামাল নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারে ১৮ জন জেলে নিয়ে গভীর সমুদ্রে যাত্রা করেন জাহাঙ্গীর মাঝি। বুধবার (৬ আগস্ট) বঙ্গোপসাগরের পায়রা বন্দরের শেষ বয়ারে এসব মাছ ধরা পরে।
এফবি জামাল ট্রলারের মাঝি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে ছোট সাইজের ইলিশ ধরা পরছে। বড় সাইজের ইলিশ কম ধরা পরছে। আমরা ৪ দিন আগে ১৮ জন জেলে সাগরে গেছিলাম। দুইদিন ফিশিং করার পর বুধবার সন্ধায় ৮ হাজার ইলিশ নিয়ে ঘাটে আসি। মাছগুলো আড়তে ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে।”
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, “সাগরে বেশ কিছুদিন ইলিশের খরা চলছিলো। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পরছে। বৃষ্টি থাকলে আরও বেশি ইলিশ ধরা পরবে। বন্দরে ইলিশ সংশ্লিষ্ট সকলে লাভবান হবে।”