রাজধানীর বনানীর হোটেল সারিনয় চলছে নি হাও! চীনা–বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা উন্নয়ন প্রদর্শনী। আজ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বেল্ট অ্যান্ড রোড হেলথকেয়ার সেন্টার বাংলাদেশ আয়োজিত এই প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত।
এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশি রোগীরা চীনা চিকিৎসা পদ্ধতি ও হাসপাতাল সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নিতে পারবেন। চীনের খ্যাতনামা ১২টিরও বেশি হাসপাতালের প্রতিনিধি, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রদর্শনীতে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। রয়েছে অন-সাইট ও অনলাইন বিশেষজ্ঞ পরামর্শ এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবার সুযোগ। এ ছাড়া এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশি রোগীরা চীনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অনস্পট ও অনলাইন পরামর্শ নিতে পারবেন। পেতে পারেন চিনে চিকিৎসার আমন্ত্রণ পত্র।
প্রদর্শনীতে অন্যান্য যেসব সুযোগ রয়েছে ভিসা সহায়তা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ফ্রি সেবা, চায়নার হাসপাতাল থেকে সরাসরি চিকিৎসার আমন্ত্রণপত্র প্রদান, ফ্রি ট্রান্সলেশন সার্ভিস ও বিমানবন্দর পিকআপসহ পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা।
প্রদর্শনীতে চীনের কিছু সেরা হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। সেগুলো হলো বোও ইয়িলিং হাসপাতাল; ফোসুন হেলথ ও শেনজেন হেংশেং হাসপাতাল; ফোশান ফোসুন চাঞ্চেং হাসপাতাল; গুয়াংজু ফোসুন চাঞ্চেং হাসপাতাল; গুয়াংজু শেংমেই হাসপাতাল; গুয়াংজু ফুদা ক্যান্সার হাসপাতাল; কুনমিং থংরেন হাসপাতাল; মডার্ন ক্যান্সার হাসপাতাল ও গুয়াংজু সিং মে হাসপাতাল।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানায়, এই প্রদর্শনীটি শুধু একটি স্বাস্থ্য মেলা নয়, বরং বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবায় পারস্পরিক সহযোগিতার এক নতুন দ্বার উন্মোচন।
এই আয়োজনে সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত আছে 'চায়নিজ মেডিকেল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ'; 'চায়না–বাংলাদেশ পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডক্টরস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন'; ও 'আমরা নারী'।