দেখি কত হাসতে পারো

ছোট্ট মেয়ে রুমকি।

স্কুলে যেতে তার একদম ভালো লাগে না। কিন্তু কী আর করা, যেতে তো হবেই।

একদিন সে স্কুল থেকে একটু দেরিতে এলো।

মা জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার রুমকি তোমার স্কুল থেকে আসতে দেরি হলো কেন?

রুমকি চটপট উত্তর দিল, আগামীকাল যতটুকু সময় স্কুলে থাকতে হবে ততটুকু সময় থেকে এলাম। কাল তাহলে স্কুলে না গেলেও চলবে, তাই না মা?

........................................

রুমেল আর রুবেল দুই ভাই।

রুমেল নিজে দুষ্টুমি করে সব দোষ দেয় রুবেলকে। কয়েকবার রুবেলকে শাস্তি দেওয়ার পরে বাবা-মা বুঝতে পারলেন দুষ্টুমি করে আসলে রুমেল। তারা ভাবলেন, রুমেলকে বোঝানোর জন্য

কী করা যায়?

একদিন রুমেল একদম দুষ্টুমি করল না। সে ভাবল, তাকে বুঝি আজ পুরস্কৃত করা হবে। কিন্তু বাবা-মা সেদিন মাছের বড় মাথাটা রুবেলকে দিলেন। রুবেল বলল, আজ তো আমি দুষ্টুমি করিনি। ভালো কাজ করেছি। আজ কেন আমাকে পুরস্কার দিলে না?

মা বললেন, কেন, তুমি দুষ্টুমি করলে যদি রুবেল শাস্তি পায় তাহলে তুমি ভালো কাজ করলে পুরস্কার পাবে কে?

রুবেল বলল, আমি আর কখনো রুবেলকে দোষ দিয়ে বকা খাওয়াব না।

মা এবার হেসে তাকে একটা মাছের মাথা দিলেন।

গ্রন্থনা : এজাজ পারভেজ