মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রির মাধ্যমে বিভক্তি করা হয়েছে

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রির মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করা হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে-বিপক্ষে এই বক্তব্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধ জাতিকে বিভক্ত করা আমাদের কাম্য হতে পারে না। আমরা কেউই স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এটা কামনা করতে পারি না।’

গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক গবেষণা সংস্থা সিএইচটি রিসার্চ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আদিবাসী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী প্রসঙ্গ ও জাতীয় নিরাপত্তা ভাবনা’ শীর্ষক বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক উদ্দেশে এই জাতিকে বিভক্ত করার মানসিকতা দেখেছি। এখানে স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ বলে আমাদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করা হয়েছে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে যে বাণিজ্য হয়েছে, রাজনীতিকরণ হয়েছে, রাজনৈতিকভাবে বাণিজ্য হয়েছে, চেতনা বিক্রি করতে করতে যে বিভক্তি সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই জায়গা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে অনেক আগে থেকেই একটি আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা চালু আছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমেদ সবাইকে এ বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে সাম্প্রতিককালে কুকি-চিনের ঘটনা দেশবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীকে চিন্তিত করেছে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘যেটা আমরা সাদা চোখে দেখছি, সেটার পেছনেও পর্দার অন্তরালের কারণ আছে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘এখানে আমাদের পার্বত্য অঞ্চল ও ভারতের একটি অঞ্চল, মিয়ানমারের একটি অঞ্চল নিয়ে আরেকটি বৈশ্বিক কোনো কোনো শক্তির পরিকল্পনা আছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এই ভূখণ্ডকে হয়তো তারা অন্যভাবে সাজাতে চায়। এর বেশি আমি আজ বলতে চাই না। সেজন্য আমাদের সজাগ থাকতে হবে; যাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যেকোনো এ রকম পরিকল্পনা আমাদের ভূখণ্ডকে নিয়ে সফল হতে না পারে।’