দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দুর্নীতিগ্রস্ত ছিলেন না, দুনীর্তি প্রশ্রয় দিতেন না। যারা বগুড়ার সন্তান, যারা বগুড়ায় চাকরি করেন তারাও দুর্নীতি প্রশ্রয় দেবেন না। রবিবার দুপুরে বগুড়ায় গণশুনানিকালে তিনি এ কথা বলেন।
৪২ বছর আগে বগুড়ায় চাকরিজীবন শুরু করার স্মৃতি উল্লেখ করে ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, দুদক কর্মকর্তারা কি করছেন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, যাতে দুনীতিগ্রস্ত হয়ে না পড়ে। কাজ হোক বা না হোক ঘুষ দেবেন না, একটা পর্যায়ে দেখবেন কাজ হয়ে যাবে। সরকারি চাকরি যারা করেন তাদের কাজ করতেই হবে, তাদের বিকল্প নেই। তাই ঘুষের সরবরাহ বন্ধ করে দেন তাহলে বগুড়া হয়ে উঠবে দেশের অন্যতম দুর্নীতিমুক্ত জেলা।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা শ্লোগান সামনে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশনের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসন ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে বেলা পৌনে ৩টা পর্যন্ত গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
গণশুনানির মডারেটর জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজার সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন, বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দুদক রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. ফজলুল হক।
গণশুনানিতে ৩২টি দপ্তরের বিরুদ্ধে ৯৭টি অভিযোগের অভিযোগ উপস্থাপন করা হন। এ সময় কয়েকজন চাকরি প্রত্যাশীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি নামীয় প্রতিষ্ঠানের দুজনকে জাল কাগজপত্র দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। এছাড়াও নানা অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগীরা।