৯২% মানুষ মনে করেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিগ্রস্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া থেকে নিষিদ্ধ করা উচিত। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেন সংগঠনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।
মে থেকে জুলাই পর্যন্ত পরিচালিত এ জরিপে দেশব্যাপী ১,৩৭৩ জনের মতামত নেওয়া হয়। ৪০টি প্রশ্নের ভিত্তিতে করা জরিপে ১৫টি নাগরিক সংলাপও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
জরিপে আরও দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী পদে সর্বোচ্চ দুই মেয়াদের বেশি থাকতে না পারার পক্ষে মতামত দিয়েছেন ৮৯ শতাংশ উত্তরদাতা। ৮৭% মানুষ চান সংসদনেতা ও দলীয় প্রধান পদে একই ব্যক্তি যেন না আসেন। ৭১% উত্তরদাতা সংসদের উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে আসন বণ্টনের পক্ষে মত দিয়েছেন। এছাড়া ৬৯% মানুষ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার সমর্থন করেছেন।
নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়ে ৬৩% মানুষ নিম্নকক্ষে ঘূর্ণমান পদ্ধতিতে নারী আসন সংরক্ষণের পক্ষে মত দিয়েছেন। উচ্চকক্ষে নারীদের জন্য ৩০টি আসন সংরক্ষণের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন ৬৯% উত্তরদাতা।
সংসদের নিম্নকক্ষে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের পক্ষে ৮৬% মানুষ মত দিয়েছেন। উচ্চকক্ষে এ ধরনের পদে সমর্থন দিয়েছেন ৮২% উত্তরদাতা।
নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে ৮৭% মানুষ মনে করেন, নির্বাহী বিভাগের কোনো কাজ নির্বাচনকে প্রভাবিত করলে তা নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত। ৮৬% উত্তরদাতা চান, নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এর সুষ্ঠুতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রত্যয়ন (সার্টিফিকেট) প্রকাশ করবে।
এছাড়া, ৯২% মানুষ মনে করেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিগ্রস্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া থেকে নিষিদ্ধ করা উচিত।