শুধু প্লাস্টিক নয় সিসাদূষণে নজর দিতে হবে

পলিথিনের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি অনেক। চোখ জ্বালা করা, শ্বাস কষ্ট, লিভারের সমস্যা, ক্যানসার, চর্মরোগ থেকে শুরু করে অনেক ক্ষতিকর রোগের জন্য দায়ী এই পলিথিন। আমরা বাজারে গেলে, পলিথিনে করেই সবকিছু নিয়ে আসি। এমনকি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যও। অথচ পলিথিনে মোড়ানো এসব খাবারই খাদ্যে বিষক্রিয়ার জন্য দায়ী। মাছ-মাংস পলিথিন ছাড়া রাখি না। কিন্তু পলিথিনে মাছ-মাংস প্যাকিং করলে, অবায়বীয় ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। প্লাস্টিকের বর্জ্য মাইক্রো ও ন্যানো কণারূপে মানুষের শরীরে ঢুকে হরমোনজনিত নানা সমস্যা সৃষ্টি করছে। এটি মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের নানা রোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুক্রাণু ও ডিম্বাণু উৎপাদন ব্যাহত করছে। ক্যানসারসহ ত্বকের নানা রকম রোগ সৃষ্টি করছে। এই প্লাস্টিক আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে। বিজ্ঞানী বেকল্যান্ড প্লাস্টিক আবিষ্কার করেন। এটি পেট্রোলিয়াম দিয়ে তৈরি যৌগ। বেকল্যান্ড যখন এটি আবিষ্কার করেছিলেন, তখন নিশ্চয়ই তিনি জানতেন না একদিন এই প্লাস্টিকেই পৃথিবী ভরে যাবে। ভরে উঠবে আনাচে-কানাচে। হয়ে উঠবে অভিশাপ। তারপরও প্লাস্টিকের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। সকালে ঘুম থেকে উঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমানোর পূর্ব পর্যন্ত প্লাস্টিক বা পলিথিন ব্যবহৃত হয় আমাদের জীবনে। শুরুতে এর ব্যবহার এতটা না থাকলেও দিন দিন বেড়েই চলেছে।

বাংলাদেশে ২০০৫ সালে এর বার্ষিক মাথাপিছু ব্যবহার ছিল ৩ কেজি। এটি বেড়ে ২০২০ সালে হয়েছে ৯ কেজি। অর্থাৎ ১৫ বছরে বার্ষিক মাথাপিছু প্লাস্টিকের ব্যবহার বেড়েছে ৩ গুণ। বাংলাদেশে প্রতিদিন ৩ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপাদিত হয়। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, ঢাকায় প্রতিদিন ৬৪৬ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। ঢাকার মোট প্লাস্টিক বর্জ্যরে ৩৭.২ শতাংশ পুনঃব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশে উৎপাদিত প্লাস্টিক বর্জ্যরে ৬০ শতাংশ মিশে রাস্তাঘাট আর নদীতে। মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আমাদের দেশে প্রতি বছর ৮ লাখ ২১ হাজার ২৫০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য হয়। আর মাত্র ৪০ ভাগ পুনঃব্যবহার হয়। অর্থাৎ ২ লাখ ২৮ হাজার টন পুনরায় ব্যবহৃত হয় আর বাকি অংশ পরিবেশেই থেকে যায়। বিশে^ প্রতি বছর প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপাদিত হয় প্রায় ৪৫ কোটি টন। প্লাস্টিক বর্জ্য ৪০০ বছর পর্যন্ত পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব রাখতে পারে। প্লাস্টিক দূষণকারী শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। প্লাস্টিক এখন সাগরের তলদেশ থেকে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়া পর্যন্ত বিস্তৃত। বিশ্বে প্রতি মিনিটে প্লাস্টিকের বোতল বিক্রি হয় প্রায় ৫ লাখ। বিশ্বে বছরে ৮০ লাখ টন বর্জ্য সাগরে মিশে। একটি গবেষণায় জানা যাচ্ছে, দোকানে ব্যবহৃত প্লাস্টিক ২০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকে। কোমল পানীয়তে ব্যবহৃত প্লাস্টিক ৫০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকে। আর বোতল হিসেবে ব্যবহৃত প্লাস্টিক ৪৫০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকে। বাংলাদেশে প্লাস্টিক দ্রব্যাদির বাজার ১ বিলিয়ন ডলারের। প্লাস্টিক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। ঢাকায় প্রতিদিন ১ কোটি ২০ লাখ পলিব্যাগের বর্জ্য ফেলা হয়। সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, পৃথিবীর ৮৫ শতাংশ কলের জলে মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে। যেখান থেকে প্রতি মাসে ২১ গ্রাম এবং বছরে ২৫০ গ্রাম এই প্লাস্টিক মানুষের শরীরে ঢুকে গুরুতর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্লাস্টিকের বর্জ্য মাইক্রো ও ন্যানো কণারূপে মানুষের শরীরে ঢুকে হরমোনজনিত নানা সমস্যা সৃষ্টি করছে। এটি মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের নানা রোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুক্রাণু ও ডিম্বাণু উৎপাদন ব্যাহত করছে। ক্যানসারসহ ত্বকের নানা রকম রোগ সৃষ্টি করছে। ফথেলেটস, বিসফেনোন, অর্গানোটিনস, পার ও পরি ফ্লোরোঅ্যালকাইল, বিসফেনলের মতো রাসায়নিক উপাদান প্লাস্টিকে থাকে যা স্থূলতা, গর্ভধারণের ক্ষমতা হ্রাস, বিভিন্ন স্নায়ুরোগ ঘটাতে পারে। প্লাস্টিক জনস্বাস্থ্যের জন্যই হুমকি নয় শুধু, এটি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব সৃষ্টি করছে। প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব জানলেও, এর ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আছে জানলেও, আমরা কিন্তু ঘুম থেকে ওঠে আবার রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করেই যাচ্ছি।

২০০২ সালে বাংলাদেশ প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ করে। সেই অর্থে বাংলাদেশই বিশ্বে প্রথম দেশ, যে দেশ প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ করে। ২০১০ সালে প্লাস্টিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ন্যাশনাল থ্রি আর নীতি চালু করে। ন্যাশনাল থ্রি আর অর্থ হলো রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল। প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার জুট প্যাকেজিং আইন পাস করে।  সম্প্রতি সরকার ১ অক্টোবর থেকে সুপার মার্কেট ও ১ নভেম্বর থেকে সব কাঁচা বাজারে পলিথিন ও পলিপ্রপিলিন ব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। সরকার বলছে, এর বিকল্প হিসেবে পাট, কাপড় ও কাগজের ব্যাগ থাকবে। প্লাস্টিক বা পলিথিনের মতো সিসাও মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশে। সিসা একটি নরম ধাতু। এটি ঈষৎ নীলাভ ধূসর বর্ণের। এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮২। এটি একটি নরম ধাতু। এই ধাতু এতটাই নরম যে, একটি ছুরির সাহায্যে একে কাটা যায়। কিন্তু সিসা মারাত্মক ক্ষতিকর বিষ। এই বিষের ভেতরেই বাস করছে, বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ। বাংলাদেশের বাতাসে যেমন সিসার উপস্থিতি দেখা গেছে, তেমনি মাটিতে-পানিতেও সিসা পাওয়া গেছে। এমনকি খাবারেও সিসার উপস্থিতি দেখা গেছে। সম্প্রতি ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির (এনএফএসএল) একটি গবেষণায় দেখা গেছে খোলা প্যাকেটজাত দুধ এবং দইয়ে সিসা, ক্রোমিয়াম ও আরও অন্যান্য উপাদানের উপস্থিতি। সিসা নানাভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। খাদ্যদ্রব্য ছাড়াও ধূমপান, পানীয় জল, নিত্যব্যবহার্য দ্রব্যাদির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করছে। এ ছাড়া পেট্রোল, পেইন্ট, ব্যাটারি, খেলনা ইত্যাদির দ্বারাও সিসা ছড়িয়ে পড়ছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সেখানে বছরে দুই লাখ টন সিসা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এটি উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনচক্রকে নানাভাবে প্রভাবিত করছে। মাটিতে মিশছে। তারপর উদ্ভিদের শরীরে যাচ্ছে। এরপর প্রাণীর শরীরে প্রবেশ করছে। এভাবে ধীরে ধীরে প্রবেশ করছে মানুষের শরীরে। বাতাসের সিসা মানুষের দেহে প্রবেশ করলে, ক্যানসারসহ নানা রোগের সৃষ্টি করতে পারে যার পরিণতিতে ঘটতে পারে মৃত্যুও। এ ছাড়া খাবারের মাধ্যমে শরীরের ভেতর সিসা প্রবেশ করলে, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ স্থায়ী বা সাময়িকভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। যেমন কিডনি বিকল হতে পারে। হতে পারে মারণব্যাধি ক্যানসারও। সিসা সরাসরি দেহের কোষকে ক্ষতি করে। এরপর অস্থিমজ্জা, লিভার ও কিডনিকে আক্রান্ত করে। রোগী রক্তশূন্যতায় ভুগে। বন্ধ হয়ে যায় শে^তকণিকা উৎপাদন। শে^তকণিকা আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধী হিসেবে কাজ করে। এর সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে নানা রকম রোগের সংক্রমণ ঘটতে থাকে। শরীরে একবার সিসা প্রবেশ করলে, রক্তের মাধ্যমে সারা শরীরে বাহিত হতে থাকে। অল্প অল্প করে সিসা শরীরে জমা হতে থাকে। এটি প্রথমে হাড়ে জমা হয়। এটি সববয়সী মানুষের ওপরই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তবে শিশুদের শরীরে এর প্রভাব অনেক বেশি।

শিশুরা যখন হামাগুড়ি দিয়ে খেলে বা খেলনা ও অন্যান্য জিনিসে মুখ রাখে, তখন সিসা শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে। তবে সমস্যা হলো, এর বিষক্রিয়া সহসাই বোঝা যায় না। এটি ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি করে। যদি শরীরে সিসার বিষক্রিয়া আছে শনাক্ত করা না যায়, তবে পরবর্তীকালে মস্তিষ্কের ক্ষতি ও মারাত্মক মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে। এ ছাড়া বয়স্কদের প্রজনন সমস্যা, হজমের সমস্যা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, পেশির সমস্যা দেখা দিতে পারে। সিসাঘটিত বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত মানুষকে অসুস্থ দেখায় না বলে, রোগটা অনেক দূর পর্যন্ত চলে যায়। এ জন্য রক্তে সিসার উপস্থিতি পরীক্ষা করা দরকার। সিসার নানা রকম উৎস রয়েছে। বাতাস, মাটি, জল ছাড়াও এটি নানাভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। ভবন, সেতু, সুড়ঙ্গ নির্মাণ বা ভাঙার কাজ, ওয়েল্ডিং করা, ব্যাটারি, বৈদ্যুতিক জিনিসপত্র ভাঙা, গাড়ি-নৌকা মেরামতকরণ এসব যেমন সিসার উৎস, তেমনি রঞ্জক ব্যবহার করা, দাগযুক্ত কাঁচ, মাটির পাত্র বা গয়না নিয়ে কাজ এ রকম নানা উৎস থেকে সিসা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে।  বিভিন্ন ব্যাটারি তৈরির কারখানায় সিসা ব্যবহৃত হয়। লিড পেইন্ট দিয়ে বাড়ি রঙ করা হলে, সেসব সিসা বাতাসে মিশে পরিবেশের ক্ষতি করে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলোতে লিড এভিয়েশন গ্যাস ব্যবহার হয়। এসব শিশুর রক্তের সঙ্গে মিশে সিসার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (বাংলাদেশ) পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে,  ঢাকার ৯৮ ভাগ শিশুর রক্তে রয়েছে সিসা। ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ঢাকায় এই গবেষণাটি করা হয়। তারা দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সী পাঁচশ শিশুর ওপর এই গবেষণাটি করেন। এতে তারা ৯৮ ভাগ শিশুর রক্তে সিসার পরিমাণ পেয়েছেন লিটারে ৩৫ মাইক্রোগ্রামেরও বেশি। সিসানির্ভর শিল্প স্থাপনার ৫ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বসবাসকারী শিশুদের তুলনায় ১ কিলোমিটারে বসবাসকারী শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ পেয়েছেন ৪৩ ভাগেরও বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সিসার এই দূষণ ধীরে ধীরে কেড়ে নিচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ। তাই এখন থেকেই সিসাদূষণ নিয়ে সজাগ হতে হবে। গত ২৫ জুন রাজধানীতে বৃক্ষমেলা ও পরিবেশমেলা পরিদর্শন শেষে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সুপারশপগুলো শতভাগ পলিথিন মুক্ত হয়েছে। সুপারশপগুলোয় পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট বা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে। একটা সময় মনে করা হতো পলিথিন ছাড়া কীভাবে চলবে দোকান, বাজার-ঘাট? এটা খুবই আনন্দের সংবাদ। প্লাস্টিক বা পলিথিনের ক্ষেত্রে আমরা কিছুটা হলেও সফলতা পেয়েছি।

এখন সিসা থেকে বাঁচতে সরকারের কড়া নজরদারি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আমাদের নিজেদেরও কিছু করণীয় আছে। যেসব শিল্প কারখানায় সিসা ব্যবহার করা হয়, সেসব কারখানায় কাজ করলে ঘরে যাওয়ার আগে গোসল করে প্রবেশ করতে হবে। ঘর পরিষ্কার ও ধুলামুক্ত রাখতে হবে। জুতা খুলে ঘরে প্রবেশ করতে হবে। এ ছাড়া শিশুরা যেখানে খেলাধুলা করে, সেখানে ময়লা পড়ে থাকা জায়গাগুলো ঢেকে রাখা যেতে পারে। পলিথিন বা প্লাস্টিকদূষণ রোধে বর্তমান সরকার অনেকখানি সফল হয়েছে। সিসাদূষণ নিয়ে কর্মতৎপরতা বাড়ালে, দূষণ অনেকখানি কমিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে। সিসাদূষণ মোকাবিলায় আইন তৈরি ও নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এ ছাড়া সিসাদূষণের উৎসগুলোকে পরিবেশ ছাড়পত্রের আওতায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। দূষণের উৎসগুলোকে চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা যেতে পারে। যেহেতু সিসার বিষক্রিয়া সহজে ধরা পড়ে না, রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হয়, সেহেতু সিসাদূষণের উৎস চিহ্নিত করে তা জনসচেতনতার মাধ্যমে মোকাবিলা করাকে আমাদের প্রাধান্য দিতে হবে। এ ছাড়া সরকারেরও নজরদারি বাড়াতে হবে। বিশেষ করে, সিসানির্ভর শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারের নজরদারিতে আনতে হবে।

লেখক: পরিবেশবিষয়ক কলাম লেখক 

mitra_bibhuti@yahoo.com