এলিয়েনের চোখে পৃথিবী

বহুদূরের কোনো এলিয়েন দলের কাছে পৃথিবী কীভাবে আবির্ভূত হয়, তা বুঝতে হলে পৃথিবী থেকে ওপরে এবং বাইরে গিয়ে আমাদেরকে এই গ্রহটি দেখতে হবে। একজন মানুষ পৃথিবীর এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা পর্যন্ত জোরে দৌড়াতে পারে, সাঁতার কাটে, হাঁটে বা বাইক চালায় তখন এই গ্রহের সীমাহীন বস্তুর জোগানের ক্লোজআপ দৃশ্য উপভোগ করা যায়। একজন মানুষ মহাকাশের যত ওপরে উঠবে, ততই ভূপৃষ্ঠের বিশদ দৃশ্যপট হারিয়ে যেতে থাকবে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন প্রায় ২৫০ মাইল ওপরের কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে। অবশ্য এর একটা জানালা দিয়ে একজন হয়তো দিনের বেলা প্যারিস, লন্ডন, নিউ ইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলেস শহর খুঁজে পাবে। কিন্তু সেটা কেবল সম্ভব যদি সে ভূগোল জানে। আবার কেউ মহাকাশ থেকে গিজার গ্রেট পিরামিড দেখতে পাবে না। এমনকি দেখতে পাবে না, চীনের মহাপ্রাচীরও। কোনো মানুষ যদি চাঁদের পৃষ্ঠে দাঁড়ায় তাহলে নিউ ইয়র্ক, প্যারিস এবং পৃথিবীর বাকি উজ্জ্বল শহরগুলো ঝিকঝিক করতেও দেখতে পাবে না। কারণ, পৃথিবী থেকে তখন মানুষের দূরত্ব হবে এক মিলিয়ন মাইলের চার ভাগের এক ভাগ। কিন্তু তখনো কিন্তু ঠান্ডা বাতাসের পুঞ্জ এবং আবহাওয়ার অন্যান্য প্রধান রূপ আমাদের গ্রহ জুড়ে ছুটে যেতে দেখা যাবে। প্রশ্ন হচ্ছে, এলিয়েনরা কি সত্যিই এভাবেই পৃথিবীকে দেখছে! ‘নাসা’ বলছে, ঘটনা পুরোপুরি সত্য। এর মানে, তারা এলিয়েনের অস্তিত্ব মেনে নিয়েছে। এলিয়েন রয়েছে কোনো না কোনো গ্রহে! আদতে এটা কি বিশ্বাসযোগ্য?