দীর্ঘ ৩৫ বছর চাকুরি জীবনের পর সহকারী শিক্ষক আব্দুল জলিলকে ফুলেল শুভেচ্ছা, ও বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়ার পর ঘোড়ার গাড়িতে করে রাজকীয়ভাবে পুরো শহর ঘুরিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
ওই শিক্ষক কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফুলবাড়ী জছিমিয়া মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) তাকে কর্মস্থলে এভাবেই চাকুরী জীবনের শেষ বিদায় জানান সহকর্মীসহ ও শিক্ষার্থীরা।
তিনি সহকারী শিক্ষক হিসেবে বিজ্ঞান বিভাগে দীর্ঘ জীবন সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে ছিলেন। যার কারণে সবার সঙ্গে গড়ে ওঠেছে প্রীতি আর ভালোবাসার নিবিড় এক সম্পর্ক। বিদায়ের দিনে হাজির হন প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ এলাকার নানা শ্রেণীপেশার মানুষ।
শিক্ষার্থী রবিন বলে, জলিল স্যার অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন, তিনি আমাদের বাবার মতো সবসময় আদরও মমতা দিয়ে আমাদেরকে পড়াতেন। আজ স্যারের বিদায় হলো, ভালো একজন স্যারকে স্কুল থেকে হারালাম। আমরা স্যারের দীর্ঘায়ু কামনা করি।
শিক্ষক আইয়ুব আলী ও ওবায়দুর হক বলেন, আজ আমরা একজন ভালো সহকর্মীকে বিদায় দিলাম। তিনি আমাদেরকে সব সময় ভালো বিষয়ে পরামর্শ দিত। আমাদের সঙ্গে তিনি সবসময় ভালো আচরণ করতেন। সবসময় আন্তরিকতার সহিত শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতেন। তার এই শূন্যতা জানিনা পূরণ হবে কিনা। আমরা দোয়া করি তিনি সবসময় ভালো থাকুন।
বিদায়ী শিক্ষক আব্দুল জলিল বলেন, কখনো কল্পনা করতে পারিনি এত সম্মান ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে আমার বিদায় হবে। সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় আমি ধন্য। সেইসঙ্গে আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমিও সবার জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করব।