গোলাগুলির ঘটনায় গজারিয়া পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ নৌ ডাকাতদের গোলাগুলির ঘটনায় গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের জামালপুরে সদ্য স্থাপিত পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. সামসুল আলম সরকার।

বুধবার (২৭আগস্ট) সকাল থেকেই উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়ন জামাপুর গ্রাম ও সংলগ্ন নদীতে অভিযান অভিযান চালিয়েছে পুলিশ এছাড়াও দুপরে সদ্য স্থাপিত পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার। এ সময় ক্যাম্পের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।

উল্লেখ্য গত ২২ আগস্ট উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এই অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পটিকে পুঁজি করে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে স্থানীয় দুটো মহল, একটি মহল ক্যাম্প স্থাপন জায়গা নিয়ে বিতর্ক তুলে মানববন্ধন প্রতিবাদ করে ও অপর মহল স্বাগত জানিয়ে মিষ্টি বিতরণ করেন।

এ ছাড়াও গত ২৫ আগস্ট মেঘনা নদীতে অভিযান চলাকালীন সময়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে নৌ ডাকাতদের ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কোন আসামিকে আটক করতে পারিনি পুলিশ।

এই ঘটনায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয়রা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী জানিয়েছেন, গত কিছু দিন যাবৎ চরম আতঙ্কে দিন যাপন করছেন তারা। ডাকাতদের ধরতে সাড়াশি অভিযানের ভয়ে অনেকে গ্রাম ছেড়ে আশেপাশের আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ২০জন নামীয় ও অজ্ঞাত ২৫-৩০ নামে মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে অভিযানে আসামিদের বাড়িঘর তালাবদ্ধ পেয়েছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার সামসুল আলম বলেন, সদ্য স্থাপিত পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শন করেছি,ক্যাম্পে হামলা হয়নি। আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।