চোটের ভয় নিয়ে খেলেও জোড়া গোল মেসির, মায়ামি ফাইনালে

পেনাল্টি থেকে একবার, ওপেন প্লেতে আরেকবার—দুটি গোলেই নায়ক লিওনেল মেসি। সঙ্গে ভেনেজুয়েলান ফরোয়ার্ড তেলাস্কো সেগোভিয়ার আরেকটি গোল। শেষ বাঁশি বাজতেই নিশ্চিত হলো—ইন্টার মায়ামি ফাইনালে! অরল্যান্ডো সিটিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ২০২৫ লিগস কাপের শিরোপা লড়াইয়ে জায়গা করে নিল জাভিয়ের মাসচেরানোর দল।

টানটান প্রথমার্ধ

চেজ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ম্যাচে ছিল উত্তেজনার রঙ। ৪৩তম মিনিটে এগিয়ে যায় অরল্যান্ডো সিটি। মুরিয়েলের পাস থেকে মারিও পাসালিচ জালে পাঠান বল। যদিও ভিএআরের মাধ্যমে দীর্ঘক্ষণ পর্যালোচনা হয়, শেষ পর্যন্ত গোলের বৈধতা মেলে।

বিরতির পর মেসির দ্যুতি

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই পাল্টে যায় চিত্র। ৫০তম মিনিটে তাদেও আলেন্দের ওপর ফাউল থেকে পেনাল্টি পায় মায়ামি। স্পট কিকে নির্ভুলভাবে গোল করেন মেসি।

কিছুক্ষণের মধ্যেই জর্দি আলবার সঙ্গে দারুণ সমন্বয় থেকে মেসি দ্বিতীয়বার বল জালে জড়ান, ডানদিকে ফাঁকা জায়গা কাজে লাগিয়ে।


তারপর লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে সেগোভিয়া তৃতীয় গোল করেন। তাতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পাকা হয়ে যায় মায়ামির হাতে।

ইতিহাসের পথে মায়ামি

২০২৩ সালে প্রথমবার লিগস কাপ জিতেছিল ইন্টার মায়ামি। গত তিন আসরে এটি তাদের দ্বিতীয় ফাইনাল। এবার শিরোপার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হবে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সি ও সিয়াটল সাউন্ডার্সের মধ্যকার জয়ী দল।

চোটের ভয়ের মাঝেই সাহসী মেসি

ম্যাচশেষে নিজের অনুভূতির কথা খোলামেলা বললেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার: “আজ আমি মাঠে থাকতে চেয়েছিলাম। গ্যালাক্সির বিপক্ষে ফেরার পর থেকেই কিছুটা অস্বস্তি ও অস্বচ্ছন্দতা অনুভব করছিলাম। এই ম্যাচের জন্য আমি ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, কারণ জানতাম এর গুরুত্ব কতটা। প্রতিপক্ষও কঠিন—এই মৌসুমে আগের দুই ম্যাচেই আমরা তাদের হারাতে পারিনি। আসলে, প্রথমার্ধে আমার ভেতরে এখনো কিছুটা ভয় ছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আমি অনেকটা মুক্ত হয়ে খেলতে পেরেছি।”