ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ মানবাধিকারবিষয়ক উপদেষ্টা হুমা খান অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, তাড়াহুড়ো করে এই আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, গুমের মতো ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এই আলোচনা সভায় রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা তাদের দুঃসহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। রাজনৈতিক দলের সদস্যরা গুমমুক্ত ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের দাবি জানান।
মানবাধিকারকর্মীরা বলেন, গুম ও খুনের সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জবাবদিহির মুখোমুখি করতে রাষ্ট্রকেই এগিয়ে আসতে হবে। তবেই এমন ঘটনা রোধ করা সম্ভব।
হুমা খান আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার তাড়াহুড়ো করে গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করেছে। এ নিয়ে জাতিসংঘ উদ্বিগ্ন।