লক্ষ্মীপুরে রামগঞ্জ উপজেলার ৬নং লামচর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এজিএস কাশেমকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। এঘটনার জের ধরে বিএনপির দু'পক্ষের সংঘর্ষে ৫ বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এজিএস কাশেমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যদের রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার সন্ধা ৬টায় লামচর ইউনিয়নের বেড়িবাজার কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন একটি মাদ্রাসায় পূর্ব নির্ধারিত ইউনিয়ন বিএনপির কমিটির নির্বাচন শেষে ফলাফল ঘোষণার পর
বিজয়ী সভাপতি জাফর আহম্মদ পাটোয়ারী ও সাবেক সাধারন সম্পাদক তারিকুক ইসলাম সমর্থকদের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি সাহাব উদ্দিন তুর্কী জানান, এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক। আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ফলাফল ঘোষণার পর এ ধরনের ঘটনা দলকে বিভাজন করবে।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোজাম্মেল হক মজু জানান তাকে (উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এজিএস কাশেমকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। সাধারণ সম্পাদক পদে পরাজীত প্রার্থীর সমর্থকরা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে দাবী করেন তিনি।
কেন্দ্রীয় ১২দলীয় জোটের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন আমি উক্ত নির্বাচনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলাম। এমন ঘটনায় আমরা লজ্জিত। এ ধরনের ঘটনা কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল বারী বলেন, হামলার খবর শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্হা নেয়া হবে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।