স্নাতক-ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের দ্বন্দ্বের অবসান যেভাবে

সম্প্রতি, বিদ্যুৎ জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা যথাযথ মানসম্পন্ন প্রকৌশলী তৈরি করতে ব্যর্থ সামান্য রাস্তাঘাট, ব্রিজ করতেও বিদেশ থেকে প্রকৌশলী ভাড়া করতে হয়।’ তার অভিযোগ যেমন বাস্তব, তবে বাস্তবতার পেছনে আরও অনেক বাস্তবতা রয়েছে। প্রত্যাশা ছিল, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বয়ে এই সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করবে। কিন্তু, সম্প্রতি একটি কমিটি গঠন ছাড়া, কার্যকর কোনো উদ্যোগ ছাড়াই পাঁচ মাস কেটে গেছে। দেশের প্রকৌশল শাখা স্থবির হয়ে গেলে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। সুতরাং সমস্যার আশু সমাধান প্রয়োজন। কিন্তু সমস্যা সমাধান করা সম্ভব বলেই মনে হয়। শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়াগুলো খুব সাধারণ। স্নাতক প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হচ্ছে : প্রথমত: ৯ম গ্রেডে ৩৩ শতাংশ কোটা রয়েছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য। কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে এ পদে নিয়োগ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত : ১০ম গ্রেডে  ১০০ শতাংশ কোটা রয়েছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য, তা বাতিল করে সবার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। তৃতীয়ত : বিএসসি ডিগ্রি ছাড়া ইঞ্জিনিয়ার পদবি ব্যবহার করা যাবে না। যদি এই পদবি ব্যবহার করে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

সমস্যা সমাধান : প্রথম দাবির সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত। কারণ বর্তমান ৩৩ শতাংশ কোটার পদ্ধতিটি বৈষম্যমূলক। এখানে নির্দিষ্ট কোনো কোটা থাকবে কেন সেটাই বোধগম্য নয়। এ সমস্যার সমাধানে ‘কি পারফরমেন্স ইন্ডিকেটর’ বা কেপিআই ফুলফিল করলে, যে কেউ ওপরের পদে প্রমোশন পাবে এটাই হওয়া উচিত। দুনিয়াব্যাপী এই স্ট্যান্ডার্ড। দশম গ্রেডে চাকরি করার পর, কেউ যদি মেধার ভিত্তিতে কেপিআই ফুলফিল করে নবম গ্রেডে উত্তীর্ণ হতে না পারে, তাহলে ধরে নিতে হবে সে দশম গ্রেডে চাকরি করা অবস্থায় তার ওপরে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং যে জ্ঞান তার অর্জন করার কথা ছিল, সে তা অর্জন করতে পারেনি। বিধায় সে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারছে না। উল্লেখ্য, এই কেপিআই স্ট্যান্ডার্ড এবং পদোন্নতির পরীক্ষা অবশ্যই একটা নিউট্রাল বডির মাধ্যমে হতে হবে। আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরের চাকরির পরীক্ষা নিয়ে থাকে। এটা এক অদ্ভুত সংস্কৃতি, এ কাজ কখনোই বিশ্ববিদ্যালয়ের হতে পারে না। দ্বিতীয় দাবিতে যাওয়ার আগে তৃতীয় দাবিটা ব্যাখ্যা করি। এই দাবির সঙ্গেও আমি পুরাপুরি একমত। তবে সেটা দশম গ্রেডে থাকা অবস্থায় একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী যখন কোটাবিহীন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে অন্যান্য স্নাতক প্রকৌশলীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নবম গ্রেডে উন্নীত হবেন, তখন তাকে প্রকৌশলী বলতে কারও আপত্তি থাকার কথা না। উল্লেখ্য, দশম গ্রেডে থাকা অবস্থায় একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীকে অবশ্যই তার পুরো পদবি লিখতে অথবা বলতে হবে। যেমন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী বা ইঞ্জিনিয়ার। যেটা আদতে একটি সেটেল্ড বিষয়। সরকারিভাবে অনেক আগেই বিষয়টি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। তারপরও, স্নাতক প্রকৌশলীদের এ ব্যাপারে গার্ডিয়ান-সুলভ উদারতা দেখানোর অনুরোধ করছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের টেকনিশিয়ান বলা থেকে শুরু করে আরও নিম্নমানের কুরুচিপূর্ণ শব্দচয়ন পরিহার করতে হবে।

বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য, একটা উদাহরণ দিই একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী তার সন্তানকে সর্বদা চান স্নাতক প্রকৌশলী বানাতে। আমার জানামতে, এমন অনেক উদাহরণ আছে যে, পিতা অথবা বড় ভাই অথবা বড় বোন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী এবং তারা তাদের সন্তান, ভাই অথবা বোনকে স্নাতক প্রকৌশলী বানিয়েছেন। এখন সন্তান কি তার বাবার বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ শব্দচয়ন করতে পারে? এই উদাহরণটি সমভাবে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্যও প্রযোজ্য। সরকারি-বেসরকারি হাজার হাজার প্রজেক্টে ডিপ্লোমা এবং স্নাতক প্রকৌশলীরা একে অন্যের সম্পূরক বা পরিপূরক হিসেবে কাজ করছেন। এভাবে চলতে থাকলে মানসিক এই দ্বন্দ্ব কাজের পরিবেশ বিঘিœত করবে। মনে রাখা দরকার, স্নাতক এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভর্তির যোগ্যতা ভিন্ন, কারিকুলাম ভিন্ন, মিডিয়াম অব ইন্সট্রাকশন ভিন্ন, শিক্ষকদের যোগ্যতা ভিন্ন। তথাপি আমাদের শিক্ষার্থীরা এমনকি উভয় ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ পেশাজীবীরাও একে অপরের মধ্যে মেধা ও যোগ্যতার তুলনা করছেন কেন, সেটা বোধগম্য নয়। প্লেন বা তার পাইলটের সঙ্গে রাস্তার গাড়ি বা তার চালকের মধ্যে কি আপনি তুলনা করতে পারেন? যদিও দুটির উদ্দেশ্যই যাতায়াত! তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, ইঞ্জিনিয়ার না হয়ে অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেম কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা না রেখে অনেক দায়িত্বশীল ব্যক্তি অযাচিত মন্তব্য বা পক্ষপাতিত্ব করছেন, যা অনেকটা ‘আদার ব্যাপারী জাহাজের খবর নেওয়ার মতো।’ শুধু এটুকু বলতে চাই, উভয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা যেহেতু ভিন্ন সুতরাং তাদের কাজের পরিধি ভিন্ন। এ বিষয়টি সমাধানে আমার প্রস্তাবনা হচ্ছে অতিসত্বর বাংলাদেশে ‘কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক’ তৈরি করতে হবে। যেমনটি আছে অস্ট্রেলিয়াসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে। উদাহরণ স্বরূপ, ১ থেকে ১০ স্কেলের অস্ট্রেলিয়ান কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক বা একিউএফ অনুযায়ী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা হচ্ছে লেবেল ৬।  অন্যদিকে স্নাতক প্রকৌশলীদের স্থান লেভেল ৮-এ। আশা করি, এই দুই গ্রেডের ভিন্নতা পাঠক বুঝতে পেরেছেন। বলা বাহুল্য, স্নাতক প্রকৌশলীদের কাজ হচ্ছে ডিজাইন এবং সুপারভাইস করা। অন্যদিকে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের কাজ হচ্ছে, সেই ডিজাইনকে এক্সিকিউট বা বাস্তবায়ন করা এবং নিম্নস্থ ফোরম্যান বা টেকনিশিয়ানদের পরিচালনা করা। যেকোনো প্রতিষ্ঠানের অর্গানোগ্রামটা হচ্ছে টেকনিশিয়ানরা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের রিপোর্ট করে আর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের রিপোর্ট করে। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারকে আবার তাদের উপরস্থ পর্যায়ক্রমে চিফ ইঞ্জিনিয়ার পর্যন্ত রিপোর্ট করতে হয়। আমার মতে, বিএসসি ছাড়া দেশ বিকল আর ডিপ্লোমা ছাড়া দেশ অচল। বলা দরকার, স্নাতক প্রকৌশলীদের এই আন্দোলনের অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে তারা নবম গ্রেডে চাকরিতে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদানের পরে যখন দেখে তার রিপোর্টিং অথরিটি একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার তখন তার ভেতরে এক ধরনের অস্বস্তি বা ইগো কাজ করে। একজন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার হয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারকে ‘স্যার’ বলা তাদের ব্যক্তিত্বে বাধে। এ সমস্যার সমাধানে স্যার বলার এই কলোনিয়াল সংস্কৃতি যেটা থেকে শুরু হয়, মূলত তোষামোদি তা সমূলে উৎপাটন করতে হবে।

শুধু এ সেক্টরে নয়, বরং সর্বক্ষেত্রে। পৃথিবীর বহু দেশে পড়া, পড়ানো এবং কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি এই ঘৃণ্য সংস্কৃতি শুধু বাংলাদেশেই আছে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে, একে অপরকে এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে পর্যন্ত তার নাম অথবা পদবি ধরেই সম্বোধন করা হয়। কোনো ধরনের তোষামোদি বা কথিত তেলবাজি নেই। এবার আসি, দ্বিতীয় দাবির কথায়। যেখানে স্নাতক প্রকৌশলীরা দশম গ্রেডকে উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবি তুলেছেন। এই দাবিকে দেশের অনেক প্রথিতযশা স্নাতক প্রকৌশলী লজ্জাকর, অপমানজনক বলে মনে করছেন। স্নাতক প্রকৌশলীদের যেখানে আকাক্সক্ষা থাকার কথা ছিল জগৎখ্যাত ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক বা বিজ্ঞানী হওয়ার সেখানে তারা কেন দশম গ্রেডের মতো নিচের পোস্টে চাকরি করতে আন্দোলন করছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি দেশে উপর্যুপরি বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পাওয়া, মানসম্পন্ন চাকরির অভাব এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুর্নীতির মানসিকতা থেকেই এমন আগ্রহ জন্ম নিতে পারে। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখেছি, একটা পিওনের চাকরির জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিয়েছে।  এবার আসি, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের দাবি নিয়ে। প্রথম দাবি : ‘উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ থেকে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি ৫০ শতাংশে উন্নীত করা’ এই প্রস্তাবের সমাধান হচ্ছে, আপনারা প্রয়োজনে শতভাগ পদোন্নতি পান, তবে সেটা আসতে হবে কেপিআই পূরণ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে।

দ্বিতীয় দাবি : ‘প্রকৌশল কর্মক্ষেত্র ফিল্ড ও ডেস্ক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিভাজনপূর্বক ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ও ডেস্ক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের নিযুক্তকরণ’ এই বিভাজনের যৌক্তিকতা বোধগম্য নয়। পূর্বের বিষয়গুলোতে বৈষম্যহীন যৌক্তিক সমাধান করা গেলে এই বিভাজনের প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। তৃতীয় দাবি : ‘জাতীয় মেধার অপচয় রোধে প্রকৌশলীদের পেশা পরিবর্তন বন্ধ, আন্তর্জাতিক ইঞ্জিনিয়ারিং টিম কনসেপ্ট অনুযায়ী ১:৫ অনুপাতে সব প্রকৌশল সংস্থার জনবল কাঠামো প্রণয়ন’ পর্যায়ক্রমে যথাযথ পদ সৃষ্টি করা গেলে এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। এটা অবশ্যই একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হতে হবে। চতুর্থ দাবি : ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের কারিকুলাম ইংরেজি ভার্সনে আধুনিকায়ন ইংরেজি ভার্সনে রূপান্তরিত করলেই কারিকুলাম আধুনিকায়ন হবে, এটা একটি ভ্রান্ত ধারণা। জাতির ইনফেরিয়রিটি কমপ্লেক্সের বহিঃপ্রকাশ। এসএসসি পাসের পর আমাদের দেশের ছেলেমেয়েদের ইংরেজিতে পারদর্শিতার বাস্তবতায় ডিপ্লোমা কারিকুলাম ইংরেজিতে রূপান্তর করা অযৌক্তিক। তবে মাধ্যমিকে ইংরেজি ভাষার ওপর শিক্ষার্থীদের শক্তিশালী ফাউন্ডেশন তৈরি করা গেলে, এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়। এবং সেটাও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হতে হবে। পঞ্চম দাবি : সব পলিটেকনিক ও মনোটেকনিক ইনস্টিটিউট, টিএসসিতে ১:১২ অনুপাতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিবেচনায় শিক্ষক স্বল্পতা দূরীকরণ। এই অনুপাতটি পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই আদতে কাগজে-কলমে। তবে অন্তত ১:৩০ করা গেলে সেটা হবে অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ষষ্ঠ দাবি : পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি। এটার চেয়ে বরং প্রয়োজন এপরেন্টিসশিপ কর্মক্ষেত্র থেকে আপ স্কেলিং-এর জন্য ছুটি এবং আর্থিক প্রণোদনা। সপ্তম দাবি : সব প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সনদধারীদের ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা। সবগুলো দাবির মধ্যে এই দাবিটি সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত এবং আধুনিক। তবে শুধু ক্রেডিট ট্রান্সফার নয় বরং সব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত। আধুনিক বিশ্বের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়েই একাধিক এন্ট্রি পাথওয়ে থাকে। বোধকরি, বাংলাদেশই তার ব্যতিক্রম। পরিশেষে, ডোনা মার্টিনির ভাষায় বলতে হয়, ‘সমঝোতা মানে হারা নয়; বরং এটা হলো অন্যজনের সমানভাবে খুশি থাকার অধিকারও স্বীকার করা।’ যত দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে ততই দেশের জন্য মঙ্গল।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক ইউনিভার্সিটি অব মালায়া

shahabuddin.suzan1@gmail.com