আর্জেন্টিনায় মেসির শেষ ম্যাচ ঘিরে জমকালো আয়োজনের পরিকল্পনা এএফএর

বিশ্বকাপের দক্ষিণ আমেরিকা বাছাইপর্বের ১৭তম ম্য্যাচে ৪ সেপ্টেম্বর ঘরের মাঠে ভেনেজুয়েলার ‍মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। ম্যাচটি হবে রিভার প্লেটের আন্তোনিও ভেসপুচিও লিবার্তি স্টেডিয়ামে। এটিই হতে পারে আর্জেন্টিনার মাটিতে দেশটির কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ। এ ঐতিহাসিক মুহূর্ত ঘিরে ফুটবল ও সংগীত মিলিয়ে বিশেষ এক আয়োজন করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।

ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচের আগে তিনটি সংগীতানুষ্ঠান উপভোগ করবেন দর্শকরা। আয়োজকদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, লা বান্দা দে কার্লিতোস, কিউ লোকুরা এবং উরিয়েল লোজানো মঞ্চ মাতাবেন কুয়ার্তেতো সংগীতের সুরে। এএফএ এবারই প্রথম প্রথা ভেঙে ম্যাচ-পূর্ব উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উদ্দেশ্য যাতে দুপুর থেকেই নুনিয়েজে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। এ দিন কানায় কানায় পূর্ণ দর্শক সমাগমের আশা করছেন আয়োজকরা। এজন্য টিকিটধারীদের অন্তত দুই ঘণ্টা আগে মাঠে উপস্থিত হতে অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে পুরো প্রাক-ম্যাচ আয়োজন উপভোগ করা যায়। আর্জেন্টিনা-ভেনেজুয়েলা ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে দেশটির স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।

সোমবার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজের দেশে ফিরেছেন মেসি। তার সঙ্গে ছিলেন ইন্টার মায়ামি সতীর্থ রদ্রিগো ডি পল। দুজনই সম্প্রতি লিগস কাপের ফাইনালে খেলেছেন। অবশ্য তাদের দল ৩-০ গোলে হেরে যায় সিয়াটল সাউন্ডার্সের কাছে। নিজের শহর রোসারিওতে সংক্ষিপ্ত সময় কাটিয়ে মেসি যোগ দেন এএফএর এজেইজা সদর দপ্তরে। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নিজেই নিশ্চিত করেছেন, ম্যাচটি হবে ‘খুব বিশেষ’, কারণ এটি তার দক্ষিণ আমেরিকা বাছাইপর্বে দেশের মাটিতে শেষ ম্যাচ।  

ম্যাচের আগে সংগীতানুষ্ঠানগুলো দর্শকদের জন্য ভিন্ন অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে, আর উৎসবের আবহে বিদায় জানানো হবে দেশের ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম সেরা আইকনকে। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচের পর ৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার আলবিসেলেস্তেরা যাবে ইকুয়েডরের কুইটোতে বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে। এরপরই অপেক্ষা ২০২৬ বিশ্বকাপের, যা এবার হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায়।