বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে স্বৈরাচার আর রাজাকার একাকার হয়ে গেছে। এটা বিজয় নয়, ছাত্র-জনতার বিজয় কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ডাকসুর নির্বাচন গভীর ষড়যন্ত্রের ফল, যা আমরা অনুমান করেছিলাম কিন্তু ব্যর্থ করতে পারিনি। এটা আমাদের ব্যর্থতা, অস্বীকার করব না।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর জেলা পরিষদ সভাকক্ষে উত্তর জেলা মহিলা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ছাত্রশিবির কোনোভাবেই ডাকসুতে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ভোটে জয়লাভ করতে পারে না। প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে, যাতে ছাত্রলীগের ভোটও কাস্ট হয়েছে। এই ছাত্রলীগের ভোট গেল কার পকেটে? এটা অনুসন্ধান করলেই শিবিরের বিজয় কীভাবে হলো তা সহজেই অনুমান করা যায়।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ছাত্র-জনতা হত্যার রক্তে রঞ্জিত স্বৈরাচারের হাতে হাত মিলিয়েছে জামায়াত। তবে এই সখ্যতা নতুন নয়, ১৯৮৬ সালেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াত হাত মিলিয়ে আরেক স্বৈরাচার এরশাদকে বৈধতা দিয়েছিল। যাদের হাতে জামায়াতের নেতাদের রক্ত, যারা গত ১৫ বছরে তাদের নেতাদের ফাঁসি দিয়েছে, তাদের সঙ্গেই ক্ষমতার লোভে হাত মিলিয়েছে জামায়াত।
তিনি বলেন, দিল্লিতে বসে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। পত্রিকায় দেখলাম তার আমলে সুবিধা নেওয়া শিল্প মালিকদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা নিচ্ছেন। দেশের গণতন্ত্র ও আগামী নির্বাচন নস্যাৎ করতে সেই টাকা ব্যবহার হচ্ছে। সেই টাকার উত্তাপ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। গতকাল ডাকসু নির্বাচনেও সেই টাকার প্রভাব ছিল কিনা সেটা প্রশ্ন থেকে যায়।