দেখি কত হাসতে পারো

ছোট্ট রাব্বিকে ডাক্তার চশমা দিয়েছেন। চোখে পরিষ্কার দেখার জন্য তাকে নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে।

 

ঘুমানোর সময়ও চশমা পরে বিছানায় যেতে দেখে মা বললেন, রাব্বি, ঘুমানোর সময় কি চশমা লাগবে?

 

রাব্বি বলল, কেন, আমি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখি যে!

........................................

রামিম দেখল শামীমের চশমার ফ্রেমটির রঙ উঠে গেছে, ডাঁটি

ভেঙে গেছে।

 

শামীম কয়েক দিন ধরে বলছিল, চশমার পাওয়ারও বদলে গেছে।

তাই সে বলল

রামিম : শামীম, তোর চশমাটা একদম নষ্ট হয়ে গেছে। ওটা ফেলে দিয়ে নতুন একটা কিনে নে!

 

শামীম : হ্যাঁ, নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু ফেলে দিতে বলছিস কেন? চশমার কাঁচ আর ফ্রেমটা বদলে নিলেই তো চশমাটা আবার ব্যবহার করা যাবে!

........................................

জিনিয়া একটু পেটুক।

মা খাবার দিলে সে ছোটবোন মুনিয়াকে বলল, চলো, আমরা ভাগ করে খাই।

 

মুনিয়া : ঠিক আছে, তোমার খাবার আমাকে দেবে, আমিও তোমাকে আমার খাবার দেব।

 

জিনিয়া : অর্ধেক আর কী। যত ইচ্ছা নিতে পারো। তোমার খাবার মানেই তো আমার খাবার। আমার খাবার মানে আমার খাবার।

........................................

ইমি গোসল করতে চায় না।

 

মা বারবার গোসল করতে বলায় সে রাগ করে বলল, এ জন্য আমি বলি সে দাদুর বাড়িতে গিয়ে থাকব। ওখানে আমাকে কেউ কোনো কাজে জোর করে না।

 

মা : আজ মাংস রান্না করেছি। ঠিক আছে, তুই যখন দাদুর বাড়িতে যাচ্ছিস তাহলে ছোট ভাইকে তোর ভাগেরটাও দিয়ে দেব।

 

ইমি : রান্না যেহেতু করেই ফেলেছ, খেয়েই যাই। দাদুর বাড়ি তো আর পালিয়ে যাচ্ছে না!

........................................

ঝিলিক নতুন ভর্তি হয়েছে।

 

একদিন টিফিন খেতে খেতে মিনু তাকে বলল, ঝিলিক তোকে দেখলেই আমার বন্ধু নিশানের কথা মনে পড়ে!

 

ঝিলিক খুব খুশি হয়ে বলল, কেন? কেন? সেও কি আমার মতো ভালো বন্ধু ছিল?

 

মিনু বলল, ভালো বন্ধু বটেই, তবে ওর একটা অভ্যাস ছিল, সেটা তোর

মাঝেও দেখছি।

 

ঝিলিক : কী, কী?

মিনু : নিশানও টিফিন খাওয়ার সময় আমার টিফিন খেয়ে নিত কিন্তু ওর টিফিন শেয়ার করত না।

গ্রন্থনা : এজাজ পারভেজ