বিশ্ব জুড়ে প্লাস্টিকের বর্জ্য

পানির বোতল প্যাকেটজাত খাবারের মোড়ক, বাজারের ব্যাগ থেকে শুরু করে চিকিৎসা সরঞ্জাম কিংবা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি সবখানেই প্লাস্টিক ব্যবহৃত হচ্ছে। প্লাস্টিকের ব্যবহার এবং এর বহুবিধ সমস্যা  নিয়ে লিখেছেন অনিন্দ্য নাহার হাবীব

প্লাস্টিক আজকের পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত ও জটিল বর্জ্যরে নাম। এর আবিষ্কার হয়েছিল সুবিধার জন্য। হালকা, সস্তা, টেকসই এবং বহুমুখী ব্যবহারের কারণে প্লাস্টিক দ্রুত মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। পানির বোতল, প্যাকেটজাত খাবারের মোড়ক, বাজারের ব্যাগ থেকে শুরু করে চিকিৎসা সরঞ্জাম কিংবা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি সবখানেই প্লাস্টিক ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু এই সুবিধার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভয়াবহ সংকট। প্লাস্টিক খুব ধীরে ক্ষয় হয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শত শত বছর পর্যন্ত অক্ষত থেকে যায় এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক উৎপাদিত হয়, যার একটি বড় অংশ একবার ব্যবহারযোগ্য। এর মাত্র ৯ শতাংশ পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব হয়, বাকিটা জমা হয় মাটিতে, নদীতে, সাগরে কিংবা জ্বালিয়ে দেওয়া হয় যা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি করে। প্লাস্টিক ভেঙে তৈরি হয় মাইক্রোপ্লাস্টিক, যা খাবার, পানি এমনকি মানুষের রক্তেও পাওয়া যাচ্ছে। ফলে সমস্যা আর কেবল পরিবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি এখন বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের এক বড় চ্যালেঞ্জ।

এ অবস্থায় বিজ্ঞানীরা নানা ধরনের বিকল্প উপাদান, পুনর্ব্যবহার প্রযুক্তি এবং পরিবেশবান্ধব সমাধান খুঁজছেন। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী সরকার ও নীতিনির্ধারকরাও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক কমানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। বাংলাদেশও এ যাত্রায় পিছিয়ে নেই পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধকরণ থেকে শুরু করে প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ হচ্ছে।

ইতিহাস ও বর্তমান

প্লাস্টিকের যাত্রা শুরু হয়েছিল উনিশ শতকের শেষ দিকে। ১৯০৭ সালে বেলজিয়ামের রসায়নবিদ লিও বেকল্যান্ড প্রথম কৃত্রিম প্লাস্টিক ‘বেকেলাইট’ আবিষ্কার করেন। তখন থেকে শুরু হলো এক নতুন শিল্পবিপ্লব যেখানে ধাতু, কাঠ বা কাচের বিকল্প হিসেবে প্লাস্টিক জায়গা করে নেয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অস্ত্র, সরঞ্জাম ও চিকিৎসাসামগ্রী তৈরিতে এর ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। যুদ্ধ শেষে সাধারণ মানুষের জীবনেও প্লাস্টিক দ্রুত প্রবেশ করে।

আজ প্লাস্টিক ছাড়া আধুনিক জীবন কল্পনা করা কঠিন। পানি ও পানীয়ের বোতল, বাজারের ব্যাগ, মোড়কজাত খাবার, খেলনা, ফার্নিচার, ইলেকট্রনিকস, গাড়ির যন্ত্রাংশ, চিকিৎসা সরঞ্জাম থেকে শুরু করে পোশাকশিল্প পর্যন্ত সবখানেই প্লাস্টিক ব্যবহার হচ্ছে। বিশেষ করে একবার ব্যবহারযোগ্য single-use) প্লাস্টিকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি, কারণ এগুলো সস্তা ও সহজলভ্য।

তবে এই সুবিধাই আবার বড় সমস্যার জন্ম দিয়েছে। বিশ্বে প্রতি মিনিটে গড়ে ১০ লাখ প্লাস্টিক বোতল ব্যবহার হচ্ছে এবং বছরে প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন প্লাস্টিক ব্যাগ খরচ হচ্ছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশেও পরিস্থিতি ভিন্ন নয়, ঢাকায় দৈনিক প্রায় ৬০০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয় বলে গবেষণায় দেখা গেছে। এর বড় অংশই সঠিকভাবে সংগ্রহ বা পুনর্ব্যবহার হয় না, বরং নদী-খাল, ড্রেন ও খোলা জায়গায় জমা হয়ে পরিবেশ দূষণ করে।

অতএব, প্লাস্টিক আজ যেমন আধুনিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তেমনি এটি এক ভয়াবহ পরিবেশ সংকটের মূল উৎসে পরিণত হয়েছে।

বিপদ ও পরিবেশগত প্রভাব

প্লাস্টিক বর্জ্যরে সবচেয়ে বড় বিপদ হলো এর দীর্ঘস্থায়ী উপস্থিতি। সাধারণত একটি প্লাস্টিক বোতল ক্ষয় হতে ৪৫০ বছর পর্যন্ত সময় নেয়। অর্থাৎ আমরা আজ যেসব প্লাস্টিক ব্যবহার করছি, সেগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মও উত্তরাধিকার সূত্রে পাবে। এই বর্জ্য জমতে জমতে মাটি, পানি ও বায়ুর মান নষ্ট করে দেয়।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সামুদ্রিক পরিবেশ। প্রতি বছর প্রায় ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে ফেলা হয়। এতে সামুদ্রিক প্রাণীরা প্লাস্টিক খেয়ে ফেলছে বা জড়িয়ে গিয়ে মারা যাচ্ছে। বিশ্বে ৭০০-এর বেশি সামুদ্রিক প্রজাতি প্লাস্টিক দূষণের শিকার বলে জানা গেছে। উদাহরণস্বরূপ, অনেক কচ্ছপ জেলিফিশ ভেবে প্লাস্টিক ব্যাগ গিলে ফেলে, যা তাদের অন্ত্রে বাধা সৃষ্টি করে মৃত্যুর কারণ হয়।

এ ছাড়া প্লাস্টিক ভেঙে তৈরি হওয়া মাইক্রোপ্লাস্টিক (৫ মিলিমিটারের কম কণা) এখন সবচেয়ে ভয়ংকর হুমকি। গবেষণায় দেখা গেছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক মাছ, লবণ, এমনকি পানীয় জলের মধ্যেও প্রবেশ করেছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় মানুষের রক্ত, ফুসফুস ও প্লাসেন্টায়ও মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এর প্রভাব সরাসরি ক্যানসার, হরমোনজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

শুধু তাই নয়, খোলা জায়গায় প্লাস্টিক পুড়িয়ে ফেলার ফলে বাতাসে বিষাক্ত ডাইঅক্সিন ও ফিউরান গ্যাস ছড়ায়, যা বায়ুদূষণ বাড়ায় এবং মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের রোগ সৃষ্টি করে।

অতএব, প্লাস্টিকের এই সংকট এখন কেবল পরিবেশ নয়, মানবস্বাস্থ্যের জন্যও এক ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পুনর্ব্যবহার ও বিকল্প প্রযুক্তি

প্লাস্টিক বর্জ্য সংকট মোকাবিলায় বিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরেই নানা সমাধান খুঁজছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো পুনর্ব্যবহার (Recycling)। যদিও বৈশ্বিকভাবে মাত্র ৯ শতাংশ প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার হয়, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ হার বাড়ানো সম্ভব। যেমন মেকানিক্যাল রিসাইক্লিং-এ প্লাস্টিককে গলিয়ে নতুন পণ্য তৈরি করা হয়, আর কেমিক্যাল রিসাইক্লিং-এ প্লাস্টিক ভেঙে মূল রাসায়নিক উপাদানে ফিরিয়ে আনা হয়, যা দিয়ে আবার নতুন উপকরণ বানানো যায়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো বিকল্প উপাদান তৈরি। বিজ্ঞানীরা এখন জৈব-ভিত্তিক প্লাস্টিক (bioplastics) বা ভোজ্য প্লাস্টিক উদ্ভাবনে কাজ করছেন। উদাহরণস্বরূপ, ভুট্টার স্টার্চ, আখের গুড় বা সামুদ্রিক শৈবাল থেকে তৈরি প্লাস্টিক স্বাভাবিক পরিবেশে দ্রুত ক্ষয় হয় এবং পরিবেশদূষণ করে না। অনেক দেশেই মুড়ি বা আটা থেকে তৈরি জৈব ব্যাগ পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার শুরু হয়েছে।

এ ছাড়া উদ্ভাবিত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি, যেমন এনজাইম ও ব্যাকটেরিয়া দিয়ে প্লাস্টিক ভাঙার পদ্ধতি। ২০১৬ সালে বিজ্ঞানীরা এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন, যা PET প্লাস্টিক ভেঙে ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে এসব জৈবপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হতে পারে।

অবশেষে বিজ্ঞানীরা পুনঃব্যবহারযোগ্য প্যাকেজিং, থ্রি-ডি প্রিন্টিং দ্বারা টেকসই উপাদান তৈরি এবং জিরো-ওয়েস্ট প্রযুক্তির দিকেও নজর দিচ্ছেন। এসব উদ্যোগ সফল হলে একদিকে পরিবেশ রক্ষা সম্ভব হবে, অন্যদিকে নতুন শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।

নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ

প্লাস্টিক বর্জ্য সংকট মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক সমাধান যেমন জরুরি, তেমনি কার্যকর নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগও অপরিহার্য। কারণ প্লাস্টিক দূষণ কোনো একটি দেশের সমস্যা নয়, এটি বৈশ্বিক সংকট। তাই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

জাতিসংঘ ইতিমধ্যেই প্লাস্টিক দূষণ রোধে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২২ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ সম্মেলনে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, ২০৪০ সালের মধ্যে বৈশ্বিকভাবে প্লাস্টিক দূষণ শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য একটি আইনি বাধ্যতামূলক চুক্তি তৈরি করা হবে। এর আওতায় একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ধীরে ধীরে নিষিদ্ধ করা, উৎপাদন হ্রাস এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অনেক দেশ ইতিমধ্যেই একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যাগ ও স্ট্র নিষিদ্ধ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২১ সাল থেকে প্লাস্টিক কাটলারি, প্লেট, স্ট্র, কটন বাড ইত্যাদি বাজারজাত করা বন্ধ করেছে। আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডা ও কেনিয়া এ ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যেখানে পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ধরা হয়।

অন্যদিকে উন্নত দেশগুলো প্লাস্টিক উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোকেও দায়বদ্ধ করার নীতি গ্রহণ করছে। যেমন Extended Producer Responsibility (EPR) নীতির মাধ্যমে উৎপাদকদেরই বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

তবে নীতিমালা কেবল কাগজে-কলমে থাকলে চলবে না; এর বাস্তবায়ন, নজরদারি এবং জনগণের সচেতনতা নিশ্চিত করাও সমান জরুরি। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, আইন ও নীতির কার্যকর প্রয়োগ ঘটলেই কেবল প্লাস্টিক সংকট নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশ প্লাস্টিক বর্জ্য সংকটে অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত। ঢাকায় প্রতিদিন গড়ে ৬০০ টনের বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়, যার অর্ধেকেরও বেশি সঠিকভাবে সংগ্রহ বা পুনর্ব্যবহার হয় না। এগুলো ড্রেন, খাল, নদী ও সমুদ্রে গিয়ে জমে পরিবেশ দূষণ করে। প্লাস্টিক বর্জ্যরে কারণে নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থায় জলাবদ্ধতা বাড়ছে আবার নদীতে মাছ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।

বাংলাদেশ আসলে প্লাস্টিক নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ এশিয়ার পথিকৃৎ। ২০০২ সালে সরকার প্রথমবারের মতো পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করে, যা ছিল এই অঞ্চলের একটি অগ্রণী সিদ্ধান্ত। তবে বাস্তবে এই আইন পুরোপুরি কার্যকর হয়নি; বাজারে এখনো নির্বিচারে পলিথিন ব্যবহার হচ্ছে। এর একটি কারণ হলো, বিকল্প ব্যাগ সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য নয়।

তবে ইতিবাচক দিকও রয়েছে। দেশে বর্তমানে প্রায় ১,২০০টির মতো পুনর্ব্যবহার কারখানা রয়েছে, যেখানে সংগৃহীত প্লাস্টিক গলিয়ে নতুন পণ্য তৈরি করা হয়। এতে প্রায় দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তা ছাড়া  বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো জৈব-ভিত্তিক প্লাস্টিক ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প উপাদান তৈরির গবেষণা চালাচ্ছে।

সরকার সম্প্রতি ‘প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২০’ প্রণয়ন করেছে, যেখানে পুনর্ব্যবহার শিল্পকে উৎসাহ, বর্জ্য আলাদা করার ব্যবস্থা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে দায়বদ্ধ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবায়নে এখনো ঘাটতি রয়ে গেছে।

অতএব, বাংলাদেশে আইন, প্রযুক্তি ও সচেতনতার সমন্বয় ঘটাতে পারলে প্লাস্টিক বর্জ্য সংকট মোকাবিলা শুধু সম্ভবই নয়, বরং এ খাত নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারে।

প্লাস্টিক বর্জ্য সংকট একদিকে বৈশ্বিক পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য ভয়ংকর হুমকি, অন্যদিকে এটি একটি সুযোগও তৈরি করছে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও নীতিমালার মাধ্যমে টেকসই সমাধান আনার। বিজ্ঞানীরা পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি, জৈব-ভিত্তিক বিকল্প এবং ব্যাকটেরিয়া বা এনজাইম দ্বারা প্লাস্টিক ভাঙার উদ্ভাবন করে রেখেছেন। এগুলো কার্যকরভাবে প্রয়োগ করলে পরিবেশদূষণ কমানো সম্ভব।