বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং ওমেরা রিনিউয়েবল এনার্জি লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়াসমূহে সোলার সিস্টেম স্থাপনের জন্য “বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ” এবং “ওমেরা রিনিউয়েবল এনার্জি লিমিটেড” এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।‘বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ’ এর পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং ওমেরা রিনিউয়েবল এনার্জি লিমিটেড এর পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। 

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা মো. ফাওজুল কবির খানের নির্দেশনার আলোকে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। 

মাননীয় উপদেষ্টা মহোদয়ের নির্দেশনা অনুসারে, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড টিম (আইডিসিওএল) টিম পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়ার ছাদে সৌরশক্তির সম্ভাবনা চিহ্নিত করার জন্য একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে। আইডিসিওএল কর্তৃক পরিচালিত সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়া-১ এ ১,৯৬৬ কেডব্লিউপি  ও সার্ভিস এরিয়া-২ এ ২,৯৪৮ কেডব্লিউপি এবং সার্ভিস এরিয়া-৩ এ ১,১১৯  কেডব্লিউপি  অর্থাৎ মোট ৬,০৩৩ কেডব্লিউপি  বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।  

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাথে ওমেরা রিনিউয়েবল এনার্জি লিমিটেড-এর ২৩,৫৮,৮৭,০৬৭.৫০ (তেইশ কোটি আটান্ন লক্ষ সাতাশি হাজার সাতষট্টি টাকা পঞ্চাশ পয়সা) টাকার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুসারে আগামী ০৬ মাসের মধ্যে (১৪ মার্চ ২০২৬) কাজটি সম্পন্ন হবে। এছাড়াও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ  উপস্থিত ছিলেন। 

বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০% এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০% নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ 'জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি' প্রণয়ন করেছে। উক্ত কর্মসূচির আলোকে পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়াসমূহে সোলার সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় নেট মিটারিং পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ বিল সমন্বয় করা হবে। ফলশ্রুতিতে বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হবে।