প্রধান উপদেষ্টা

সক্রিয় যুবসমাজকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারে না

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যখন একটি দেশের যুব সমাজ সক্রিয় থাকে, তখন কোনো বাধাই তাদের দমিয়ে রাখতে পারে না।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ‘ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। দেশ গঠনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য এদিন ১২ জন তরুণ-তরুণীকে এ পুরস্কার দেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যখন দেশের যুবসমাজ সক্রিয় থাকে, উদ্যমী ও উদ্ভাবনী শক্তিতে বলীয়ান হয়, তখন কোনো প্রতিবন্ধকতাই তাদের অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারে না। তরুণরা স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ সুরক্ষা, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায়ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এই তরুণরাই চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, তরুণদের ছোট ছোট প্রচেষ্টাই দেশের জন্য বড় পথ তৈরি করবে। তরুণদের সম্মিলিত প্রয়াসেই বাংলাদেশ মানবিক ও উদ্ভাবনী রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে। যুগে যুগে এই দেশের তরুণরা ইতিহাস তৈরি করেছে, তাদের দমিয়ে রাখা যায় না।

পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেকেই নগদ এক লাখ টাকা বা প্রাইজবন্ড, একটি সম্মাননা ক্রেস্ট ও একটি সনদ পেয়েছেন। 

‘যুব কল্যাণ তহবিল আইন, ২০১৬’ অনুযায়ী, সামাজিক উন্নয়নে অসাধারণ অবদানের জন্য পাঁচটি বিভাগে মোট ১২ জনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-

যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান: বগুড়ার সুরাইয়া ফারহানা রেশমা, মাগুরার মো. আক্কাচ খান ও নোয়াখালীর মো. জাকির হোসেন।

শিক্ষা, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি: ঝালকাঠির মো. খালেদ সাইফুল্লাহ ও গাইবান্ধার মো. শাহাদাৎ হোসেন।

দেশপ্রেম, বীরত্ব ও সাহসিকতা: পাবনার মো. দ্বীপ মাহবুব ও রাজশাহীর হাসান শেখ।

আদর্শ সেবা/সমাজকল্যাণ: লালমনিরহাটের মো. জামাল হোসেন, কক্সবাজারের নুরুল আবছার ও রাজশাহীর মো. মুহিন (মোহনা)।

ক্রীড়া, কলা ও সংস্কৃতি: সাতক্ষীরার আফঈদা খন্দকার ও বান্দরবানের উছাই মং মার্মা (ধুংরী হেডমন)।