দুমকিতে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিমা নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের নয়টি মন্দিরে পূজার আয়োজন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুমকিতে মোট ১১টি সার্বজনীন পূজা মন্দির থাকলেও অর্থ সংকটে এ বছর দু’টি মন্দিরে পূজা হবে না। এর মধ্যে মুরাদিয়া ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি পাঁচটি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া শ্রীরামপুর, আঙ্গারিয়া, লেবুখালী ও পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দিরেও পূজার আয়োজন চলছে। 

কারিগররা জানান, প্রতিমা তৈরির মালামালের দাম ও শ্রমিক সংকটের কারণে ব্যয় বেড়েছে। প্রতিমা তৈরির জন্য একেক মণ্ডপে ৪৫ থেকে ৮৫ হাজার টাকায় চুক্তি হচ্ছে। মন্দিরগুলোতে প্রতিমার ফিনিশিং কাজের পাশাপাশি তোরণ নির্মাণ, প্যান্ডেল তৈরি, আলোকসজ্জা ও সাউন্ড সিস্টেম বসানোর কাজও চলছে। 

উপজেলা দুর্গোৎসব আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক রিপন চন্দ্র শীল জানান, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও সিসিটিভি মনিটরিংয়ের মাধ্যমে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন।